Tuesday, May 21, 2024
spot_img
Homeবিচিত্রশান্তিতে নোবেলজয়ীদের হাতে উঠল পুরস্কার

শান্তিতে নোবেলজয়ীদের হাতে উঠল পুরস্কার

শান্তিতে নোবেলজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিল নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি। শনিবার স্থানীয় সময় দুপুরে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে সংশ্লিষ্টদের পদক হস্তান্তর করা হয়।

অন্যদিকে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে চিকিত্সা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের পুরস্কার তুলে দিতে পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথা অনুযায়ী শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয় অসলো থেকেই।

চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলারুশের কারাবন্দি মানবাধিকারকর্মী আলেস বিয়ালিয়ািস্ক এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউক্রেন ও রাশিয়ার দুই মানবাধিকার সংগঠন যথাক্রমে সেন্টার ফর সিভিল লিবারটিজ ও মেমোরিয়াল। বিয়ালিয়ািস্কর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী।

অনুষ্ঠানে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান বেরিট রেইস-অ্যান্ডারসেন বলেন, ‘গত অক্টোবরে এই পুরস্কার ঘোষণার সময় বলেছিলাম, ক্ষমতার বিরুদ্ধে সমালোচনা করার অধিকার এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য আত্মনিয়োগ করেছেন এই তিন বিজয়ী। তারা যুদ্ধাপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে নথিভুক্ত করতে অসামান্য প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। ’

পুরস্কার গ্রহণের পর আলেস বিয়ালিয়ািস্কর স্ত্রী নাতালিয়া পিনচুক বলেন, ‘এখানে বক্তৃতা দিতে পেরে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ও সম্মানিত। বেলারুশে বেআইনিভাবে কারাবন্দি থাকায় দুর্ভাগ্যক্রমে আলেস বিয়ালিয়ািস্ক ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। ’

মেমোরিয়ালের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে জান রাচিনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেনীয় সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজ এবং বেলারুশের মানবাধিকারকর্মী আলেস বিয়ালিয়ািস্কর সঙ্গে যৌথভাবে এই সম্মাননা পাওয়ায় আমরা নোবেল কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞ। এটি সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়, রাষ্ট্রীয় সীমানা নাগরিক সমাজকে বিভক্ত করতে পারে না এবং করা উচিত নয়। ’

সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিজের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আলেক্সান্দ্রা মাতভিচুক বলেন, ‘এই বছর সমগ্র ইউক্রেনীয় জাতি শান্তিতে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণার অপেক্ষায় ছিল। আমরা এই পুরস্কারটি ইউক্রেনের জনগণের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে দেখি। ’

১৯৮০ এর দশকে বেলারুশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার আন্দোলনের সূচনা করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী আলেস বিয়ালিয়ািস্ক। বর্তমানে তিনি বেলারুশের কারাগারে বন্দি।

তত্কালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মানবাধিকারকর্মীরা ১৯৮৭ সালে মেমোরিয়াল সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। কিছুদিন পরই সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হওয়ার পর থেকে রাশিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো নথিভুক্ত করা শুরু করে সংগঠনটি।

ইউক্রেনে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ২০০৭ সালে যাত্রা শুরু করে সেন্টার ফর সিভিল লিবারটিজ। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে অধিভুক্ত করার পর ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণে রুশ বাহিনীর কথিত যুদ্ধাপরাধের তথ্য নথিভুক্ত করে সংগঠনটি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments