Friday, April 19, 2024
spot_img
Homeসাহিত্যসুবাইতা প্রিয়তির তিনটি কবিতা

সুবাইতা প্রিয়তির তিনটি কবিতা

নির্লিপ্ততা

সন্ধ্যায় মগভর্তি দুধ চায়ে-
শরণার্থীর লাশের মতো
নির্বিচারে মুড়ি ভেজানো থাকে।
সুনীলদা নির্বিকারে নভেল পড়েন আর
শব্দ করে চায়ে চুমুক দেন।

তার বেসুরো রবীন্দ্রসংগীতের হামিং
বেলকনি পেরিয়ে আমার ঘরে
চোরা চোখে উঁকি দেয়।

****

উপাখ্যান

গোলযোগ মেট্রোপলিটনে গুবরে
পতঙ্গ তরঙ্গাকার জীবন পায়।
যে তরঙ্গ তাকে রঙ্গ করে বেলায় বেলায়।
রেট্রো মেমোরিতে অন্তরঙ্গ চুমুক তেষ্টাই বাড়ায়
রাস্তা রাস্তা বিষাদগ্রস্ত ক্যাপিটালিস্ট
তাই ক্যাসেটটা একেবারে পেটি বুর্জোয়া কি মানায়?
রিপুসমূহ ঝগড়া করে সব গুবলেট পাকায়,
তাই তো ভেনাস ঘুমায়—
দেখতে পারি না সন্ধ্যায়।

****

কোনোক্রমেই

কোনোক্রমেই,
চর্ব্য নয়, লেহ্য নয়
কোদাল আর দাঁতের সাঁড়াশি নয়
সরাসরি গিলে খাওয়ার শহরে
নিয়ন গিলছে নিয়মিত রাত পিয়ন।
সাইডারের ঝাঁজালো মদিরা
সাজুয্যের দিক থেকে সারমেয়
(হুংকার আর ধিক্কারে)
সরাসরি গলায় ঢেলে খাওয়ার শহরে
বই থেকে লাইন দুই বা রেললাইন
গড়লে ডোবানো নবাবী ভোজন
করুণ অপ্রস্তুত বাক্যচয়ন
কী—এই ভাবে শক্তিমেয়
বাধ্য করছে নাগরিকে; এক বঙ্কিম দীর্ঘ ঈ-কারে
রাজ হয়ে যায় রাজী!
নিতান্তই গিলে খাওয়ার শহরে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments