Sunday, June 23, 2024
spot_img
Homeকমিউনিটি সংবাদ USAসামনে এগিয়ে যেতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি অবিরত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন: ইউএসএআইডি

সামনে এগিয়ে যেতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি অবিরত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন: ইউএসএআইডি

তারিক চয়ন : জাতিসংঘ ঘোষিত স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে আসন্ন উত্তরণের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি)’র অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, সামান্থা পাওয়ার। রোববার ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওবার্তায় সামান্থাকে অভিনন্দন জানাতে শোনা যায়।
১ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের ভিডিওবার্তাটি ‘অসাধারণ অর্জন উদযাপনে’ বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার নিয়ে এসেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। মিলার নিজেও বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘জাতিসংঘ ঘোষিত স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে আসন্ন উত্তরণের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন!’
ভিডিওর শুরুতেই স্পষ্ট এবং সহজবোধ্য ইংরেজিতে সামান্থা পাওয়ার সবাইকে ‘সালাম ও নমস্কার’ জানিয়ে বলেন,
‘মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের ঐতিহাসিক মাইলফলক উদ্‌যাপন করার এই ক্ষণে ইউএসএআইডি’তে আমাদের সকলের পক্ষ থেকে, বাংলাদেশিদের অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘মহান কবি’ আখ্যা দিয়ে তার কাণ্ডারী হুঁশিয়ার কবিতার প্রসঙ্গ টেনে সামান্থা বলেন, “৫০ বছর আগে স্বাধীনতার পর থেকে, আপনাদের জনগণের জীবনযাত্রার উন্নতি সাধনে এবং প্রবৃদ্ধির সুযোগ উন্মোচনে বাংলাদেশের অংশীদার হতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে গর্বিত মনে করে। আমরা যখন এই অসাধারণ অগ্রগতির দিকে তাকাই, তখন আমরা দেখতে পাই- বাংলাদেশ সফল হয়েছে। কারণ এটি সে সকল চাহিদার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল যাকে মহান কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘ভগ্ন হৃদয়’ বলেছেন।”
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কৃষকদের দারিদ্র্য দূর করতে, অর্থনৈতিকভাবে নারীদের ক্ষমতায়নে এবং জনগণের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে বিনিয়োগ করেছে এবং সেসব কাজে লাভও পাওয়া গেছে দাবি করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পরের তুলনায় ধানের উৎপাদন তিনগুণ বেড়েছে। ১৯৯০ সাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুহার দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে। গত ২০ বছরে দারিদ্র্যের হার জাতীয়ভাবে অর্ধেকে নেমে এসেছে।”
তবে এসব সাফল্য অর্জন করাটা সহজ ছিল না স্বীকার করে সামান্থা বলেন, “এগুলোকে ভিত্তি করে আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের দোরগোড়ায় যে মহামারি এবং শরণার্থী সংকট রয়েছে তার বিপরীতে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রতি অবিরত প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।
তবে আমাদের কোনো সন্দেহ নেই যে, বাংলাদেশি জনগণের সহনশীলতা এবং উদারতা এই মাইলফলক থেকে তাদের পরবর্তী উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমরা আপনাদের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে উদযাপন করার এই সুযোগের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আবারো অভিনন্দন।” মানবজমিন

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments