Sunday, June 16, 2024
spot_img
Homeবিচিত্রসাপ, ব্যাঙ রক্ষায় দুই ইংলিশ তরুণের প্রচেষ্টা

সাপ, ব্যাঙ রক্ষায় দুই ইংলিশ তরুণের প্রচেষ্টা

ইংল্যান্ডের দুই তরুণ বিলুপ্তির আশঙ্কায় থাকা ব্যাঙ, কচ্ছপ আর সাপ নিয়ে চিন্তিত৷ এ লক্ষ্যে ম্যানচেস্টারের কাছে এক পরিত্যক্ত জমিতে তারা বিপন্ন সরীসৃপ ও উভচর প্রাণীর প্রজনন করছেন৷ তাদের জন্য সঠিক আবাসস্থলও খুঁজছেন তারা৷

বিষহীন সাপ অ্যাসকুলেপিয়ান, মুর ব্যাঙ কিংবা ইউরোপিয়ান পুকুরের কচ্ছপ – এই তিন প্রজাতি ব্রিটেনে প্রায় বিলুপ্ত৷ ১৮ বছর বয়সি হার্ভে টুইটস ও টম হোয়াইটহার্স্ট এর পরিবর্তন চান৷ ম্যানচেস্টারের কাছে স্টাফোর্ডশায়ারে এক পরিত্যক্ত জমিতে তারা কিছু বড় ভিভারিয়ামে মুর ব্যাঙ, টিকটিকি রেখেছেন৷ সেখানে প্রায় ২০ প্রজাতির ২০০টির মতো প্রাণি আছে৷ সে হিসেবে ইউরোপের অন্যতম বড় সংগ্রহশালা এটি৷

২০২০ সালে জমি লিজ নিয়ে এটি তৈরি করেন তারা৷ তাদের লক্ষ্য, ব্রিটেনের গ্রামাঞ্চলে একসময় দেখা যেত এমন সব প্রাণী সংরক্ষণ, প্রজনন এবং আবারও তাদের প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেয়া৷ তাদের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রজনন৷

হার্ভে টুইটস বলেন, ‘‘এর চেয়ে বেশি ভালো লাগার আর কিছু নেই৷ আমি বলতে চাচ্ছি, যখন একটা সাপ ডিম পাড়ে, সেই ডিমে ফাটল দেখা দেয়, তারপর আপনি দেখতে পান যে, সেখান দিয়ে প্রথমে মাথা বের হচ্ছে- এমন দৃশ্য দেখতে খুবই অসাধারণ লাগে৷ মনে হয়, এমন দৃশ্য দেখার জন্যইতো আপনি সারা বছর অপেক্ষা করেছেন৷ এটা আপনাকে আরও মানবিক করে তোলে৷ আপনার জীবন সার্থক করে৷”

১৮ বছর বয়সি এই দুজন নিয়মিত ইউটিউবে তাদের কাজের ভিডিও পোস্ট করেন৷ তাদের সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি৷ ‘রিওয়াইল্ডিং মুভমেন্টে’ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে তারা৷

স্লো ওয়ার্মদের দেখলে বোঝা যায়, প্রাণিদের নিয়ে ভাবা কতটা জরুরি৷ একসময় ইংল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলে তাদের অনেক দেখা যেত৷ টুইটস বলেন, ‘‘আমাদের আশেপাশের এলাকায় তাদের আর দেখা যায় না৷ আমাদের এখানে যে ধরনের কৃষিকাজ করা হয় তার কারণে তারা পর্যাপ্ত থাকার জায়গা পায় না৷ তাছাড়া বীজ বোনার জন্য যখন মাটি খোঁড়া হয় তখন তারা মারা পড়ে৷”

হার্ভে টুইটস সবসময় স্লো ওয়ার্মদের জন্য উপযোগী জায়গা খুঁজতে থাকেন৷ তাদের পাঁচটি পুনর্বনায়ন প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে৷ এই দুই তরুণ খুব শিগগির তাদের প্রাণিগুলো বনে ছাড়তে পারবেন বলে আশা করছেন৷ তবে প্রকল্পটি সফল হচ্ছে কিনা, তা জানতে আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments