Wednesday, June 12, 2024
spot_img
Homeনির্বাচিত কলামশাবাশ মুশকান, হিজাবের পক্ষে যার বজ্রকণ্ঠ আওয়াজ ‘আল্লাহু আকবার’

শাবাশ মুশকান, হিজাবের পক্ষে যার বজ্রকণ্ঠ আওয়াজ ‘আল্লাহু আকবার’

শাবাশ মুশকান। হ্যাটস অফ টু দিস কিশোরী মুশকান। শুধুমাত্র পত্রপত্রিকার রিপোর্ট পড়ে নয়, যখন ভিডিও ফুটেজ দেখলাম, কয়েকজন গোঁড়া হিন্দু ছাত্র যখন ‘জয় শ্রীরাম’ শ্লোগান দিয়ে নেকাব এবং বোরকা পরা কলেজছাত্রী মুশকানকে প্রায় অবরুদ্ধ করেছিল, তখন সে একা একাই ঈমানী শক্তিতে বলিয়ান হয়ে মুষ্টিবদ্ধ হাত ঊর্ধ্বে তুলে উচ্চকণ্ঠে আওয়াজ তুলেছিলেন, ‘আল্লাহু আকবার’। আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিতে দিতে সে কলেজ বিল্ডিংয়ের দিকে এগিয়ে গেছে। তার ঈমানী শক্তি এবং দুর্জয় সাহস দেখে কলেজের এক শ্রেণির হিন্দু স্টাফ এবং শিক্ষক চমকে উঠেছিলেন, থমকে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদের কারো কারো এবং অন্যান্য মুসলমান শিক্ষার্থীর সহায়তায় সে গেরুয়া বসনধারী কট্টর হিন্দু ছাত্র এবং বহিরাগত গুন্ডাদের লাঞ্ছনা থেকে রক্ষা পায়।
কণ্ঠে শ্রীরাম শ্লোগান আর অঙ্গে গেরুয়া বসনধারীদের এই লাঞ্ছনা অসীম সাহসী মুশকানের দুঃসাহসকে দমন করতে পারেনি। গেরুয়াবসনধারীদের কয়েকজন হিন্দুত্ববাদী ছাত্র এবং বহিরাগত গুন্ডা দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক রাজ্যে এই উগ্র হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার জিগির তোলে। এই অবাঞ্ছিত ঘটনায় এতটুকু ঘাবড়ে যায়নি মুশকান। সে বলেছে, ওরা তার প্রতি অশোভন ব্যবহার করেছে। তার জন্য বিচলিত নয় সে। হিজাব পরার এই অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে সে।
মুশকানের এই দুঃসাহসিক কাজ স্ফুলিঙ্গের মতো কাজ করেছে। যে ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের একটি কলেজে, সেই ঘটনাটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় বিশাল ভারতে। শুধুমাত্র ভারতেই নয়, ভারতীয় সীমান্তের বাইরেও এই ঘটনার ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশে ড. আসিফ নজরুল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘ভারতের কর্নাটকের কলেজ ছাত্রী মুশকান একদল হিন্দু ধর্মান্ধ ও উত্যক্তকারীকে প্রশ্রয় না দিয়ে, ভয় না পেয়ে মুখের ওপর ‘আল্লাহু আকবার’ বলে প্রতিবাদ করেছে। এটা আমাদের বহু মানুষকে আনন্দ দিয়েছে, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’ মুশকান পরে তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তাকে উত্যক্তকারীদের কোনো শাস্তি দাবি করেনি। শুধু তাদের প্রতি এগুলো না করার আহ্বান জানিয়েছে। এই মহানুভবতা তাকে উত্যক্তকারীদের অনেক ওপরে স্থান দিয়েছে। হিজাব পরা সংক্রান্ত তার বক্তব্য আর অবস্থানকে মানুষ অনেক বেশি সহনশীলভাবে দেখছে।
একজন মাত্র কিশোরীর এই দুঃসাহস বলিউডের বিশাল সিনেমা জগত এমনকি বিজেপির অভ্যন্তরেও নাড়া দিয়েছে। ভারতের শাসক দল বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা, নেতাজী সুভাসচন্দ্র বসুর ভাতিজা চন্দ্র কুমার বসু বলেছেন, মুসলিম মেয়েদের হিজাবে আপত্তি তোলা হলে স্কুল-কলেজে, শাঁখা, পলা, সিঁদুর নিষিদ্ধ করা হোক। পাগড়ি, ধাগা, মাদুলি কিংবা কাড়া পরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। এই দাবি উত্থাপনের সময় তিনি আরো বলেছেন, যতদূর জানা আছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাক যেন শালীনতা রক্ষা করে, সম্ভ্রমপূর্ণ হয়। হিজাব কোনো অশালীন পোশাক নয়। হিজাবে নিষেধাজ্ঞা হলে শাঁখা, সিঁদুর, পলা, পাগড়ি, ধাগা, কাড়া মাদুলিতেও হোক। সেটিই সঙ্গত হবে।
॥দুই॥
হিজাব ইস্যু ভারতীয় সিনেমা জগতেও ঢেউ তুলেছে। প্রখ্যাত বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পাগড়ি পরার চয়েস থাকলে হিজাব নয় কেন?’ বিজেপির পাঁড় হিন্দুরা যখন মুশকানের হিজাব পরার বিরোধিতা করে, তখন তাদের বিরোধিতা করেছিলেন দক্ষিণ ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা কমল হাসান, গীতিকার এবং সুরকার জাভেদ আখতার প্রমুখ। সোনম কাপুর জোরের সাথে প্রশ্ন তুলেছেন, শিক্ষাঙ্গনে পাগড়ি পরার চয়েস থাকলে হিজাব পরার চয়েস থাকবে না কেন? এই অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে পাশাপাশি দুটি ছবি দিয়েছেন। একটিতে পাগড়ি পরা এক শিখ ভদ্রলোকের ছবি। অপরটিতে হিজাব পরা এক মহিলার ছবি। তারপরেই প্রশ্ন তুলেছেন, পাগড়ি পরার চয়েস থাকলে হিজাবে থাকবে না কেন?
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কর্নাটকের উদুপির শহরের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরিধানকারীদের ক্লাস করতে না দেওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে মুসলমান ছাত্ররা রাস্তায় নামে। প্রতিবাদীদের দমনের জন্য পুলিশ লাঠিচার্জ করে। প্রতিবাদীরাও পুলিশের প্রতি পাল্টা ইট পাটকেল ছোঁড়ে। উত্তেজনা চরমে উঠলে কর্নাটক হাইকোর্ট তিনদিনের জন্য স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেয়। প্রখ্যাত অভিনেতা কমল হাসান বলেছেন, ৪ রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষ পুঁতে দেওয়া হচ্ছে। কমল হাসান একজন তামিল। তিনি হুঁশিয়ারী দিয়েছেন, কর্নাটকে যা হচ্ছে তা যেন তামিল নাড়ুতে না ঘটে। জাভেদ আখতার উত্যক্তকারীদের বলেন, ‘তারা যা করছেন, সেটাই কি তাদের পুরষত্ব?’
মালালা ইউসুফজাই একজন পাকিস্তানি কিশোরী। তালেবানরা তাকে গুলি করেছিল। যতদূর মনে পড়ে, লন্ডন নিয়ে গিয়ে তার অপারেশন করা হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। অতঃপর তাকে নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয়। তারপর থেকেই তিনি নারী অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার। সেই মালালা ইউসুফজাইও কেরালার এই হিন্দু সাম্প্রদায়িক উগ্রতাকে ‘ভয়ানক’ বলে চিহ্নিত করেছেন। এ ব্যাপারে টুইটারে মালালা লিখেছেন, ‘হিজাব পরে মেয়েদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা ভয়ঙ্কর ঘটনা।’ ভারতীয় রাজনীতিকদের উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন, ‘ভারতীয় মুসলিম নারীদের কোনঠাসা করার চেষ্টা এবার আপনারা বন্ধ করুন।’
॥তিন॥
পোশাক পরার স্বাধীনতার জন্য এগিয়ে এসেছেন শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় নেতারাও। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ৩নং নেতা, রাজীব গান্ধীর কন্যা এবং রাহুল গান্ধীর ভগ্নি প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, তারা কী পোশাক পরবেন তা তাদের নিজেদের পছন্দের বিষয়। বিকিনি হোক, ঘোমটা হোক, জিনস হোক বা হিজাব হোকÑ তিনি কী পরতে চান, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একজন নারীর। এই অধিকার ভারতীয় সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। নারীদের হয়রানি বন্ধ করুন।
হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার দানব ভারতে মাথাচাঁড়া দিয়ে উঠেছে। তারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ হিজাব বিরোধী গেরুয়া অভিযান। কিন্তু গেরুয়াদের এই বিষবাষ্পে কেঁপে উঠেছে সুদূর ম্যানচেস্টারও। কর্নাটকের স্থানীয় ছাত্রীদের দাবি, হিজাব ও বোরকা তাদের সংস্কৃতির অংশ। তাই ঐ পোশাক পরেই ক্লাস করতে চান তারা। তাদের এই দাবির সাথে একাত্মতা জানিয়েছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ফুটবলার পল পগবা। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার নিজের ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে প্রতিবাদরত ছাত্রীদের ছবি পোস্ট করেন পগবা। সাথে তিনি লেখেন, ‘হিন্দুত্ববাদী উম্মত্ত জনতা ভারতের কলেজে মুসলিম নারীদের হিজাব পরা নিয়ে উত্যক্ত করা অব্যাহত রেখেছে।’ পগবার এই টুইট মুসলিম নারীদের আরও শক্তি যোগাবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে আমাদের পাশের প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গেও। পশ্চিমবঙ্গের পত্রপত্রিকার খবর অনুযায়ী, গত বুধবার থেকে লাগাতার আন্দোলনে নেমেছে কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। বুধবার মুসলিম ছাত্ররা প্রতিবাদ মিছিল বের করে। তাদের দাবি, হিজাব ব্যক্তিগত পছন্দের পোশাক। এটা পরা থেকে কেউ আটকাতে পারে না। শুক্রবার কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা হিজাবের সমর্থনে রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন। কংগ্রেসের দাবি, সরকার কোনো মহিলাকে তার পছন্দের পোশাক পরতে বাধা দিতে পারেন না। চুরিদার পরবেন, না হিজাব পরবেন, তা একান্তই মহিলাদের ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। একই দিন সন্ধ্যায় ধর্মতলায় হিজাবের সমর্থনে মৌন মিছিল বের করা হয়। বলা হয়, ভারতীয় সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শরীর ঢাকার অধিকার রয়েছে মহিলাদের। ‘হিজাব আমার পছন্দ, আমার অধিকার’- এই শ্লোগানে উৎকীর্ণ প্ল্যাকার্ড বহন করা হয় মিছিলে। কলকাতার অন্যত্র মোমবাতি নিয়ে মৌন মিছিল করেন মহিলারা।
ভারতে মুসলিমদের স্বার্থের মশাল বরদার হয়ে উঠেছেন হায়দারাবাদের আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি। অল ইন্ডিয়া মজলিশে ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের প্রেসিডেন্ট আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি। মুসলমানদের স্বার্থে আপসহীন হওয়ার কারণে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবকের ক্যাডাররা তাকে তিনবার হত্যা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। মুশকানের সাহসের তারিফ করে তিনি বলেছেন, ‘তার (মুশকানের) নির্ভীক অবস্থান আমাদের সবার কাছে সাহসের উৎস হয়ে থাকবে।’
উদুপির ঘটনার পর দেখা যায় যে বিজয়পুর, চিক্কাবল্লপুর, চিক্কামাগালুরু এবং হাবেরি এলাকার মুসলিম ছাত্রীরা অধিক সংখ্যায় বোরকা পরে এসেছে। খোদ উদুপিরে ছাত্রীরা দল বেঁধে হিজাব পরে এসেছে এবং নিজেদের জন্য আলাদা ক্লাস রুমের দাবি করেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ সেই দাবি মেনে নিয়েছে। ভারতের এনডিটিভিসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় দেখা যায় যে, কর্নাটকের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক মাস ধরে হিজাবকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক রেষারেষি চলছে।
হিজাব প্রশ্নে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর পুত্র রাহুল গান্ধীও টুইট করেছেন। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘হিজাব পরে ছাত্রীদের ঢুকতে না দিয়ে ভারতের মেয়েদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।’ হিজাব ইস্যুটি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। ৭ দিন আগে কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে, যতদিন পর্যন্ত হিজাব সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হচ্ছে তত দিন পর্যন্ত হিজাবসহ কোনো ধরনের ধর্মীয় পোশাক স্কুল ও কলেজে পরা যাবে না। কর্নাটক হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা হয়। আপিলের আর্জিতে বলা হয় যে, হাইকোর্টের এই রায় মুসলিম ছাত্রীদের বিরুদ্ধে যাবে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই আপিল খারিজ করে দিয়েছে। বলেছে, সঠিক সময়ে মামলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট শুনবে।
হিজাবের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দু সাম্প্রদায়িক উস্কানি সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ১১ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস প্রতিনিধিকে পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠিয়ে বলা হয় যে, ভারতে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে বৈষম্য করায় পাকিস্তান গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাক পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, কর্নাটকে মুসলিম মহিলাদের হয়রানির সাথে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং মুসলিম মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।
শেষ করার আগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা। কর্নাটকে হিজাব পরিধান নিষিদ্ধ করা নিয়ে আমেরিকাও যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, সেটি বাংলাদেশের প্রধান পত্রপত্রিকাসমূহ চেপে গেছে। বস্তুত শুধু মার্কিন প্রতিক্রিয়া নয়, হিজাবের বিরুদ্ধে মুশকানের লড়াই এবং মুসলমানদের ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রধান প্রধান গণমাধ্যম তো বটেই, প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহও কোনো বক্তব্য রাখেনি। তথাকথিত অসাম্প্রদায়িকতার জুজু তাদের এমনভাবে পেয়ে বসেছে যে, ইসলাম এবং মুসলমানিত্বের ওপর আঘাত এলেও ওরা খামোশ থাকে। কিন্তু হিন্দুদের গায়ে আঁচড় না পড়লেও ঐ সম্প্রদায়কে তোয়াজ করার জন্য ওরা পেরেশান হয়ে ওঠে।
ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একজন অ্যামবাসেডর অ্যাট লার্জ নিয়োগ দিয়েছেন। তার নাম রাশাদ হোসেন। তিনি বলেছেন, হিজাবের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সেটা ভারতের মুসলিম নারীগণকে কোনঠাসা করবে। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিজেপির মুসলিম বিরোধী এজেন্ডারই আংশিক বাস্তবায়ন।
Email: journalist15@gmail.com

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments