মাহি ও আমার জুটি- আমার ভক্তদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল। সেই ইচ্ছাটা পূর্ণ হচ্ছে আশীর্বাদের মধ্য দিয়ে। আমাদের প্রযোজক জেনিফার আপুরে যথার্থ কুশীলব নির্বাচনের ফলেই হয়তো এটা সম্ভব হচ্ছে। একই সঙ্গে ভক্তদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণ হলো। খুবই চমৎকার একটি গল্পের ওপর নির্ভর করে এই সিনেমাটা হচ্ছে। বলব, জেনিফার আপুর হাত দিয়ে দর্শকরা খুব ভালো মানের একটি চলচ্চিত্র উপহার পাবে।

এমনই বলছিলেন চিত্রনায়ক জিয়াউল রোশান। বৃহস্পতিবার দুপুরে নতুন চুক্তিবদ্ধ হওয়া ‘আশীর্বাদ’ ছবি নিয়ে এমনটাই বলছিলেন রোশান।

সরকারি অনুদান পাওয়া ছবি ‘আশীর্বাদ’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন মাহিয়া মাহি। আর এই ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধছেন রোশন-মাহি। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য ১৬টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘আশীর্বাদ’। এর প্রযোজক ও কাহিনিকার জেনিফার ফেরদৌস। এটি পরিচালনা করবেন নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

রোশান বলেন, আমি চলচ্চিত্রের গল্পটা শুনে মুগ্ধ হয়েছি। এ রকম ছবির একটা অংশ হতে পেরে আমার ভালো লাগছে। তা ছাড়া মাহিকে আমার বিপরীতে আমি নিজেকে খুবই লাকি মনে করছি, কেননা মাহিয়া একজন মেগাস্টার, এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রথম ছবির চুক্তি অনুষ্ঠানেই তাঁর সঙ্গে আমার চমৎকার বোঝাপড়া হয়ে গেছে।

রোশান বলেন, এখানে আমার চরিত্রের নাম আসাদ। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গল্প। গল্প তো অবশ্যই বৈচিত্র্যময়। এর বাইরে এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই ছবির সুবর্ণা চরিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রীর চরিত্র। মুক্তিযুদ্ধের আগের উত্তাল রাজনীতি এবং মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধান চরিত্রে থাকতে পেরে মাহিও উচ্ছ্বসিত।

ছবির চুক্তি অনুষ্ঠানে প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌসের সঙ্গে রোশান ও মাহি

রোশানের প্রথম চলচ্চিত্র ‘রক্ত’ মুক্তি পায় ২০১৬ সালে। এতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন পরীমণি।  বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ধ্যাততেরিকি তাঁর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। শামিম আহমেদ রনি পরিচালিত ছবিটিতে ছিলেন ফারিন খান, আরিফিন শুভ এবং নুসরাত ফারিয়া মাজহার। ২০১৭ সালে মুক্তি পায় তাঁর অভিনীত ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র ককপিট। অভিনেতা দেব প্রযোজিত এই ছবিতে তিনি দেবের সঙ্গে পার্শ্বভূমিকায় অভিনয় করেন। বর্তমানে পরিচালক জুটি ইস্পাহানী-আরিফ জাহানের সুন্দরীতমা চলচ্চিত্রে কাজ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

English