Sunday, June 16, 2024
spot_img
Homeবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী

বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী

৪-৭ জুন তাইওয়ানের রাজধানী তাইপের ন্যানগাং এক্সিবিশন সেন্টারে প্রতিবছরের মতো এবারও বসেছিল ডেস্কটপ, ল্যাপটপ ও সার্ভার হার্ডওয়্যার নির্মাতাদের মিলনমেলা। তাতে কী কী এলো? সেসবেরই খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছেন এস এম তাহমিদ

এবারের কম্পিউটেক্সে সব হার্ডওয়্যার নির্মাতাই এ বছর এআইকে কেন্দ্র করেই নতুন সব ডিভাইস তৈরি করেছেন। দ্রুতই আগামীর ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ বদলে যাবে, এ বছরের কম্পিউটেক্সে তারই আভাস পাওয়া গেছে।

প্রসেসরনামা

অ্যাপলের পথে হাঁটছে ইন্টেল

অ্যাপল এম সিরিজের মতো সিস্টেম অন আ চিপ বা এসওসি প্যাকেজ তৈরি শুরু করেছে ইন্টেল।

‘লুনার লেক’ সিরিজ হতে যাচ্ছে তাদের প্রথম শক্তিশালী এসওসি। ইন্টেলের দাবি আর্ম নয়, x86_64 প্রযুক্তি ব্যবহার করেই তারা অ্যাপলের এম সিরিজের মতো ব্যাটারি ও পারফরম্যান্সের ল্যাপটপ চিপ তৈরি করেছে। অ্যাপলের মতোই ৪টি ‘লায়ন কোভ’ পারফরম্যান্স এবং চারটি ‘স্কাইমন্ট’ এফিশিয়েন্সি কোর থাকবে লুনার লেক সিরিজে। চিরচেনা x86_64 আর্কিটেকচারেই তৈরি হবে কোরগুলো।
তবে বাদ পড়ছে হাইপারথ্রেডিং। ইন্টেল বলছে, স্বল্পশক্তির প্রগ্রামগুলো এফিশেয়েন্সি কোরের বাইরে যাবেই না, ফলে ব্যাটারি লাইফ বাড়বে। এ বিষয় তারা উইন্ডোজের নির্মাতা দলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। ইন্টেল জানিয়েছে, গত বছরের মিটিয়র লেকের চেয়ে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি সিপিইউ পারফরম্যান্স দেবে লুনার লেক।
দ্বিতীয় প্রজন্মের ইন্টেল এক্সই গ্রাফিকস কোর পাচ্ছে লুনার লেক। ইন্টেলের দাবি, মিটিয়র লেকের দ্বিগুণ পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, থ্রিডিমার্ক টাইম স্পাই এক্সট্রিম টেস্টে পুরো সময় ৬০ এফপিএস ধরে রেখেছে লুনার লেক। এ ছাড়াও জিপিইউটিতে থাকছে জনপ্রিয় সব ভিডিও এনকোডিং সুবিধা, যাতে ল্যাপটপেই সহজে ভিডিও রেকর্ড ও এডিট করা যায়।

লুনার লেকের মধ্যে থাকছে ৪৮ টিওপিএস নিউরাল প্রসেসিং ক্ষমতাসমৃদ্ধ নিউরাল প্রসেসিং ইউনিট বা এনপিইউ।

মাইক্রোসফটের সদ্যঃঘোষিত ‘কোপাইলট প্লাস পিসি’ নির্দেশনাতে বলা হয়েছে, অন্তত ৪০ টিওপিএস ক্ষমতার এনপিইউ পিসিতে থাকতে হবে। লুনার লেক অনায়াসে কোপাইলট প্লাস পিসির যাবতীয় এআই কাজকর্ম করতে পারবে।ওয়াইফাই ৭ এবং ব্লুটুথ ৫.৪ লুনার লেকের মধ্যেই দেওয়া হয়েছে। সেটি তৈরি করা হবে টিএসএমসির ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে। প্রতিটি লুনার লেক এসওসি অন্তত দুটি থান্ডারবোল্ট ৪ পোর্ট সমর্থন করবে। ইন্টেলের দাবি, লুনার লেক অনায়াসে অ্যাপল এম সিরিজ এসওসিযুক্ত ল্যাপটপের সমকক্ষ ব্যাটারি লাইফ দিতে পারবে, তবে ঠিক কত ঘণ্টা সেটা তারা বলেনি। লুনার লেকের সবচেয়ে বড় অসুবিধা, এসওসির মধ্যেই সরাসরি র‌্যাম বসানো থাকবে। কেনার সময়ই ১৬ অথবা ৩২ গিগাবাইট ডিডিআর৫এল র‌্যাম বেছে নিতে হবে, পরে বাড়ানোর সুযোগ নেই। তবে স্টোরেজ থাকছে আলাদাই। এ বছরের শেষের দিকে লুনার লেকচালিত ল্যাপটপ বাজারে আসতে শুরু করবে বলে জানা গেছে।

পিছিয়ে নেই এএমডিও

এনপিইউযুক্ত প্রসেসরের ঘোষণা দিয়েছে এএমডি। তাদের রাইজেন এআই সিরিজের প্রতিটি চিপের সঙ্গে থাকবে এনপিইউ, এর মধ্যে রাইজেন এআই ৯ ৩০০ এইচএক্স ৩৭০ পাচ্ছে ৫০ টিওপিএস ক্ষমতার নিউরাল প্রসেসর। বর্তমানে এটির চেয়ে শক্তিশালী এনপিইউ যুক্ত চিপ আর নেই। প্রসেসরটিতে থাকছে ১২টি কোর, ২৪টি থ্রেড, ৫.১ গিগাহার্জ গতি এবং রেডিওন ৮৯০এম জিপিইউ। এ ছাড়াও রাইজেন এআই ৭, ৫, ও ৩ সিরিজের প্রসেসরও ভবিষ্যতে আসার কথা রয়েছে। প্রসেসরগুলো বর্তমান রাইজেন ৮০০০ সিরিজের চেয়ে অন্তত ২০ শতাংশ শক্তিশালী, দাবি এএমডির। জিপিইউ পারফরম্যান্সও কিছুটা বাড়বে, তবে তফাত বর্তমানের চেয়ে বেশি নয়। তবে এএমডির প্রসেসরগুলোতে র‌্যাম বিল্ট-ইন থাকবে না, ইচ্ছামতো বাড়ানো-কমানো যাবে। ব্যাটারি লাইফ বর্তমান সিরিজের চেয়ে বড়সড় তফাত হওয়ার কথা নয়।

এদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ডেস্কটপ প্রসেসর, রাইজেন ৯৯৫০এক্স উন্মোচনের মাধ্যমে রাইজেন ৯০০০ সিরিজ বাজারে আনছে এএমডি। এতে থাকছে ‘জেন ৫’ আর্কিটেকচারের ১৬টি কোর এবং ৩২টি থ্রেড, সর্বোচ্চ গতি ৫.৭ গিগাহার্জ, তবে ওভারক্লকিং করে আরো বাড়ানো যাবে। থ্রিডি ভিক্যাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করায় গেমিংয়ে এটির চেয়ে শক্তিশালী কোনো সিপিইউ বাজারে নেই। এএমডি ৯৯৫০এক্স-এর পাশপাশি ৯৯০০এক্স, ৯৭০০এক্স এবং ৯৬০০এক্স মডেলের সিপিইউও উন্মোচন করেছে, যাতে যথাক্রমে থাকছে ১২, ৮ এবং ৬টি জেন ৫ কোর। প্রতিটি প্রসেসরই এএম৫ মডেলের মাদারবোর্ডে ব্যবহার করা যাবে, ফলে বর্তমান ব্যবহারকারীরা মাদারবোর্ড না পাল্টেই নতুন সিপিইউ ব্যবহার করতে পারবে।

 

এআই ও গেমিং

এনভিডিয়ার নতুন হার্ডওয়্যার

এআই বিপ্লবের শুরু থেকেই পারফরম্যান্সে সবচেয়ে এগিয়ে আছে এনভিডিয়ার হার্ডওয়্যার। এবারের কম্পিউটেক্সে এনভিডিয়া উন্মোচন করেছে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এআই অ্যাকসেলারেটর। নতুন ‘ব্ল্যাকওয়েল’ আর্কিটেকচারের দুটি বি২০০ জিপিইউ এবং সঙ্গে ‘গ্রেস’ সিপিইউ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে জিবি২০০ এআই অ্যাকসেলারেটর প্ল্যাটফরম। মাত্র একটি জিবি২০০ ৪০ পেটাফ্লপস গতিতে ফ্লোটিং পয়েন্ট ৪ বা এফপি৪ ঘরানার কম্পিউটিং করতে সক্ষম। সেখানে এনভিডিয়া সিস্টেমটিকে মডিউলার হিসেবে তৈরি করেছে, যাতে বেশ কয়েকটি জিবি২০০ একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়। কম্পানিটির প্রধান নির্বাহী জেনসেন হিউয়াং বলেছেন, ‘দ্রুতই আমরা ট্রিলিয়ন প্যারামিটার নিয়ে কাজ করতে সক্ষম এমন এআইয়ের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। মাত্র ২০০০টি জিবি২০০ একসঙ্গে ব্যবহার করেই ১.৮ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার এলএলএম এআই চালানো সম্ভব হবে। বর্তমানের জনপ্রিয় এআই সেবাগুলো, যেমন—চ্যাটজিপিটি কয়েক শত বিলিয়ন প্যারামিটার নিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা। এগুলোর চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চালানো যাবে ২০০০টি জিবি২০০ দিয়েই, অর্থাৎ মাত্র একটি বিল্ডিংয়েই তা জায়গা হয়ে যাবে। এর মধ্যেই এনভিডিয়া আটটি জিবি২০০ একত্রিত করে ডিএক্সজি সুপারপড তৈরি করেছে। এর মধ্যে আছে ২৮৮টি সিপিইউ, ৫৭৬টি জিপিইউ, ২৪০ টেরাবাইট মেমরি এবং ১১.৫ এক্সাফ্লপ এফপি৪ কম্পিউটিং পাওয়ার। প্রতিটি জিবি২০০-এর দাম ৩০ থেকে ৪০ হাজার ডলারের মধ্যে থাকবে জানিয়েছে এনভিডিয়া। এ বছরই ব্ল্যাকওয়েল আর্কিটেকচারে তৈরি গেমিং জিপিইউ বাজারে আসার কথা রয়েছে। তবে সেই ঘোষণা আসবে আরো পরে।

 

বহনযোগ্য গেমিং পিসির জয়জয়কার

এমএসআই ক্ল ৮ এআই প্লাস, আসুসের আরওজি অ্যালাই এক্স এবং জোট্যাক জোন—এই তিনটি নতুন হাতে বহনযোগ্য গেমিং পিসির দেখা কম্পিউটেক্সে মিলেছে। এর মধ্যে জোট্যাক ও আসুসের পিসিগুলো এএমডিচালিত, এমএসআই এর ক্ল ৮ এআই প্লাস পাচ্ছে ইন্টেলের নতুন লুনার লেক চিপ। প্রথম আরওজি অ্যালাইয়ের সঙ্গে এক্স মডেলের পার্থক্য, এতে থাকছে ৭৫০০ এমটি/এস গতির ২৪ গিগাবাইট র‌্যাম এবং ১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ। এ ছাড়া ভেতরে মাদারবোর্ডের ডিজাইনেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এদিকে এমএসআই ক্ল ৮ এআই প্লাসে থাকছে লুনার লেক সিরিজের এসওসি, ৮ ইঞ্চি ডিসপ্লে এবং বর্তমান ক্ল-এর সঙ্গে ডিজাইনে কিছু পরিবর্তন, তবে এর বাইরে কিছু জানা যায়নি, সেটার পারফরম্যান্সও আপাতত ডেমোনেস্ট্রেশন করছে না এমএসআই। জোট্যাক জোন বলা যায় বর্তমানের সব হ্যান্ডহেলড মিশিয়ে বানানো ডিভাইস, এতে থাকছে এএমডি রাইজেন ৮৮৪০ইউ প্রসেসর, রেডিওন ৭৮০এম জিপিউ, ৭ ইঞ্চি, ১০৮০পি, ১২০ হার্জ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ১৬ গিগাবাইট ৭৫০০ এমটি/এস গতির র‌্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট এনভিএমই স্টোরেজ। হল ইফেক্টর জয়স্টিকের পাশাপাশি এতে থাকছে দুটি ট্র্যাকপ্যাড, দুটি জগ ডায়াল এবং দুই স্টেজ অ্যাডজাস্টেবল ট্রিগার। দাম হতে পারে ৮০০ ডলারের আশপাশে। বলা যায় জোট্যাক জোন হতে যাচ্ছে স্টিম ডেক ও আরওজি অ্যালাইয়ের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী।

 

এসেছিল অন্যান্য হার্ডওয়্যারও

নতুন র‌্যাম প্রযুক্তি

পিসি ও ল্যাপটপে আমরা স্টিক র‌্যাম দেখে অভ্যস্ত হলেও দ্রুতই CAMM2 এবং LCAMM2 প্রযুক্তির আরো ছোট, দ্রুতগতির এবং ব্যাটারি সাশ্রয়ী র‌্যাম বাজারে আসছে। স্টিকের বদলে ছোট ডটার বোর্ডের মতো দেখতে র‌্যাম মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সমান্তরালে লাগানো যাবে, ফলে জায়গা লাগবে কম। জি-স্কিল-এর মধ্যেই বেশ কিছু র‌্যাম মডিউল প্রদর্শন করেছে। তবে বড়সড় ডেস্কটপে CAMM নয়, বরং MR-DIMM স্টিকই হবে ভবিষ্যতের র‌্যাম মডিউল, দাবি করেছে এডেটা।

 

নতুন প্রসেসর, নতুন মাদারবোর্ড

নতুন ইন্টেল প্রসেসরের জন্য জেড৮৯০ সিরিজের এবং রাইজেন ৯০০০ সিরিজের জন্য এক্স৮৭০ সিরিজের মাদারবোর্ড নিয়ে হাজির হয়েছে বেশ কিছু নির্মাতা। বেশ কিছু মাদারবোর্ডে এর মধ্যেই সিএএমএম২ র‌্যাম সাপোর্ট দেখা গেছে। কিছু নির্মাতা চিরচেনা ইউএসবি এ পোর্ট বাদ দিয়েছে পুরোপুরি, থাকছে শুধু ইউএসবি সি। প্রতিটি মাদারবোর্ডেই থান্ডারবোল্ট ৪ পোর্টের দেখা মিলেছে। আসুস কিছু কোপাইলট প্লাস ডেস্কটপ পিসির জন্য বিশেষায়িত মাদারবোর্ডও নিয়ে হাজির হয়েছে।

 

কুলার, পাওয়ার সাপ্লাই এবং কেসিং

জনপ্রিয় সব কুলার নির্মাতা, যেমন—নকচুয়া এবং ডিপকুল তাদের নতুন সব ফ্যান ও সিপিইউ কুলার কম্পিউটেক্সে এনেছে। তেমনি নতুন এটিএক্স ৩.১ স্পেসিফিকেশনের পাওয়ার সাপ্লাইও উন্মেচন করেছে সিসনিক, এনজিএক্সটি এবং কোর্সেয়ারের মতো নির্মাতারা। পাওয়ার সাপ্লাইয়ের মধ্যে ১০০০ ওয়াট ও ততধিক ক্ষমতার আধিপত্য দেখা যাচ্ছে। নতুন সব শক্তিশালী প্রসেসর, এআই অ্যাকসেলারেটর ও জিপিইউ চালানোর জন্য পিসির পাওয়ারের চাহিদাও বাড়ছে প্রতিনিয়ত। কুলারের ডিজাইনেও তার ছোঁয়া দেখা গেছে—বড়সড় হিটসিংক, দ্রুত গতির ফ্যান এবং বড়সড় রেডিয়েটর ডিজাইন এবারের কম্পিউটেক্সের বড় ট্রেন্ড।

কেসিং ডিজাইনে একই সঙ্গে আরো বেশি কাঁচের ব্যবহার এবং বাতাস বয়ে যাওয়ার জন্য মেশ ব্যবহার দেখা গেছে। এর সঙ্গে কিছু নির্মাতা যোগ করেছে কাঠের ফ্রেম, যারা পুরনো দিনের ডিজাইন পছন্দ করে তাদের কথা মাথায় রেখেই। তবে জিপিইউ ও সিপিইউর কুলিং চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কেসিংয়ের আকৃতি, সেটা বিশেষভাবে লক্ষ করা গেছে।

 

ল্যাপটপ

এআই ছিল এবারের প্রতিটি ল্যাপটপের কেন্দ্রবিন্দু। নতুন সব কোপাইলট প্লাস এআই পিসি নিয়ে হাজির হয়েছে প্রতিটি ল্যাপটপ নির্মাতা। তবে লেটেস্ট ইন্টেল বা এএমডি প্রসেসর এবং এনভিডিয়া জিপিইউযুক্ত গেমিং ও ওয়ার্কস্টেশন ল্যাপটপের প্রতিই দর্শনার্থীদের আগ্রহ বেশি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু মডেলের মধ্যে আছে এমএসআই স্টেলথ ১৮ মারসিডিজ-এএমজি ল্যাপটপ, যাতে থাকছে ১৮ ইঞ্চি, আলট্রা-এইচডি, ১২০ হার্জের ওলেড প্যানেল, আরটিএক্স ৪০৮০ জিপিউ, ৯৬ গিগাবাইটের র‌্যাম এবং ইন্টেল মিটিয়র লেক সিপিইউ। দাম ধরা হয়েছে তিন হাজার ৮৯৯ ডলার। আসুস প্রোআর্ট পিক্স১৩, এমএসআই ক্রিয়েটর জেড১৬+ এবং বেশ কিছু গেমিং ল্যাপটপেও ওলেড ডিসপ্লে, আরটিএক্স ৪০০০ সিরিজের জিপিইউ এবং সর্বশেষ এএমডি ও ইন্টেল প্রসেসরের দেখা মিলেছে। এর বাইরে সাধারণ ব্যবহার্য বাজেট ল্যাপটপও দেখা গেছে কম্পিউটেক্সে, যদিও সেসব মডেলেও বিবিধ ধরনের এআই ফিচার যুক্ত করেছে নির্মাতারা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments