Wednesday, April 17, 2024
spot_img
Homeনির্বাচিত কলামবিনিয়োগ বাড়ুক নিয়মের মধ্যে থেকেই

বিনিয়োগ বাড়ুক নিয়মের মধ্যে থেকেই

ড. আর এম দেবনাথ 

মাননীয় অর্থমন্ত্রীর জন্য সুখবর। শুধু অর্থমন্ত্রী বলি কেন, আমাদের সবার জন্যই সুখবর, কারণ সুখবরটি অর্থনীতির জন্য। সারা বিশ্বসহ বাংলাদেশ যখন করোনা ও করোনা-পরবর্তী ওমিক্রনের অভিঘাতে বিপর্যস্ত, তখন আমাদের বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা বসে নেই। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

সরকারের কথামতো তারা দেশে বিনিয়োগ করে যাচ্ছেন। এমনকি বিদেশে বিনিয়োগ করার জন্যও আগ্রহ দেখাচ্ছেন, যে কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সম্পর্কিত নীতিমালা করতে বাধ্য হয়েছে। দেশের ভেতরে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য, ব্যবসাকে প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য সরকার ‘বাজার অর্থনীতির’ বাইরে গিয়ে সুদনীতিতে হস্তক্ষেপ করে। ঋণের ওপর সুদের হার আশাতীতভাবে কমানো হয়। এ মুহূর্তে ঋণের ওপর সুদের হার ৯ শতাংশ।

অবশ্য এটি করতে গিয়ে সঞ্চয়কারীদের ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে হয়েছে। এই দুর্মূল্যের বাজারে আমানতের ওপর সুদের হার এখন মাত্র ৬ শতাংশ। কার্যত আরও কম। প্রশ্ন, এই ৯-৬ সুদনীতির ফলে কি দেশে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে? বেসরকারি খাত কি বিনিয়োগে উৎসাহিত হচ্ছে, না এখনো তাদের দাবি-দাওয়া আছে?

বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে বা বাড়ছে কিনা, তা বছর শেষে বোঝা যাবে। শত হোক এখনো দেশে করোনাকালীন অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। সরকার ইতোমধ্যেই অর্ধেক জনবল দিয়ে সরকারি/বেসরকারি অফিস চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর দোকানপাট বন্ধের নির্দেশও জারি করা হয়েছে। দেশে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম জারি রয়েছে। টিকা দেওয়ার জন্য যোগ্যতার ক্ষেত্রে বয়স কমানো হয়েছে। জনজীবন এখনো সংকুচিত।

বৃহৎ সমাবেশ সীমিত করা হয়েছে। তার মানে আমরা এখনো অস্বাভাবিক জীবনের মধ্যেই অনিশ্চয়তার দিন কাটাচ্ছি। যেসব বাংলাদেশি বিদেশে থাকে/কাজ করে, তাদের জন্যও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগের খবর নেওয়া এবং তার ওপর লেখা খুবই বিব্রতকর। তবু কাগজে আমরা প্রতিদিন ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর নানা খবর পড়ছি, প্রতিবেদন পড়ছি। অনেক ব্যবসা এই অস্বাভাবিক অবস্থার মধ্যেই বেশ ভালো করছে, অনেক ব্যবসা বেশ দুরবস্থার মধ্যে পড়েছে। যেমন ওষুধ কোম্পানিগুলো দারুণ ব্যবসা করছে, আবার পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত। অর্থাৎ হোটেল, মোটেল, পরিবহণ, বিমান, আধুনিক কোচ ব্যবসার অবস্থা তত ভালো নেই। আবার ভালো মোটরসাইকেল বিক্রির ব্যবসা। এমন সব খবর প্রতিদিন আমরা পাঠ করছি।

এই তো জানুয়ারি মাস শেষে ভালো খবর পাওয়া গেল বিনিয়োগের ওপর। খবরটি বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর। এতে দেখা যাচ্ছে, ২০২১ সালসহ করোনাকালীন দেশে বড় বড় ব্যবসায়ীরা অনেক বিনিয়োগ করেছেন। খবরটিতে দেশের বৃহৎ সাতটি গ্রুপের তথ্য দেওয়া হয়েছে। সুপরিচিত এসব গ্রুপ এ সময়ে সর্বমোট ২০ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে খুবই বড় একটি হাউজ সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে। তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সবচেয়ে ছোট বিনিয়োগের পরিমাণও কম নয়-১ হাজার কোটি টাকা।

তারা কোন কোন খাতে বিনিয়োগ করেছে? খাতগুলোর মধ্যে আছে সমুদ্রগামী জাহাজ, ফ্লাওয়ার মিল, চা বাগান, সিমেন্ট কারখানা সম্প্রসারণ, ভোগ্যপণ্য ও প্রাণিখাদ্য, পোশাক, মোবাইল, পোল্ট্রি, সিরামিক, পাটকল, কাচ কারখানা, ভোজ্যতেল পরিশোধন, আটা-ময়দা ও ইস্পাত কারখানা। এ তালিকা থেকে বোঝা যায়, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বিচরণ ক্ষেত্র ব্যাপক এবং টাকার অঙ্কে বিনিয়োগের পরিমাণও বেশ বড়। এসবই সুখবর, আশাজাগানিয়া খবর। কারণ এগুলো বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপের বড় বড় বিনিয়োগের খবর।

এই ভালো খবরের পাশাপাশি আরেকটি খবর আছে, যা আবার চিন্তাজাগানিয়া। পত্রিকান্তরের প্রকাশিত খবরটির শিরোনাম-‘বড় গ্রাহকদের খেলাপিমুক্ত রাখা এখন দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার অন্যতম কাজ’। মনোযোগ দিয়ে খবরটি পড়লে বেশ কয়েকটি বিষয় নজরে আসে। এগুলো হচ্ছে-বড় বড় গ্রুপের অনেকেই ৩০-৩৫টি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে (দেশে মোট ব্যাংক ৬১টি)। ব্যাংকের ঋণ কেন্দ্রীভূত ১০০টি বড় প্রতিষ্ঠানের হাতে। বড়দের ঋণ মওকুফ/সুদ মওকুফ নিয়মিত ঘটনা।

দেশের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মোট আমানতের পরিমাণ ১৪ লাখ ৬২ হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা। ঋণগ্রহীতার মোট সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর মাত্র ৩০ শতাংশ ব্যাংক কার্যক্রমের মধ্যে এসেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও ৭০ শতাংশ মানুষ ব্যাংক সুবিধার বাইরে। আর ঋণ সুবিধা পায় মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ। এসব তথ্যের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বক্তব্য হচ্ছে-বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গভর্নরের বেশিরভাগ সময় ব্যয় হচ্ছে বড় বড় গ্রাহকদের জন্য। আর বড় ঋণ যদি বন্ধকী সম্পত্তি রেখে নিয়মের অধীনে দেওয়া হয় তাতে কার আপত্তি? এদিকে ব্যাংকাররা বলছেন, বড় বড় গ্রাহককে খেলাপিমুক্ত রাখতেই সময় চলে যাচ্ছে। আর বড় বড় গ্রাহকের সৃষ্ট ব্যাংকগুলোর মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ও অনৈতিক প্রতিযোগিতা বিদ্যমান।

উপরের প্রেক্ষাপটে বড়দের বিনিয়োগের প্রশ্নটি বিবেচনা করতে হলে কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দরকার। বড়রা এই যে বিনিয়োগ করছেন, তা কি সম্পূর্ণই নিজেদের টাকাতেই করছেন, না এর বৃহদাংশ ব্যাংকের ঋণ? দ্বিতীয়ত, এখানে কি বিদেশি ‘ডলার ঋণ’ আছে? তারা কি অতীতে তাদের পুরোনো ঋণ পুনঃতফসিল করে সুদ মওকুফ সুবিধা নিয়েছেন? বড়রা কি ঋণ পুনর্গঠন কাঠামোর সুবিধা ভোগ করছেন? ইত্যাকার অনেক প্রশ্ন। কিন্তু উল্লেখিত ক্ষেত্রে আমার কাছে তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।

তাই কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে বড়দের সম্পর্কে যে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে, তার ওপর সাধারণভাবে কিছু মন্তব্য করাই যায়। বড় বড় গ্রুপ বিনিয়োগ করবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, তা নিয়মের মধ্যে হতে হবে, বন্ধকী সম্পত্তি থাকতে হবে। এ জায়গাতেই বড় গণ্ডগোল। সাধারণভাবে দেখা যায়, বড়দের বন্ধকী সম্পত্তি দেওয়ার ক্ষমতা কম। তারা নির্ভর করে ‘পারসোনাল গ্যারান্টি’ এবং ‘করপোরেট গ্যারান্টি’র ওপর। অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, এসব গ্যারান্টি বিপদের দিনে ব্যাংকের কোনো কাজে আসে না। বস্তুত, এসব হচ্ছে ব্যাংকগুলো কর্তৃক আবিষ্কৃত ‘খাতিরি মর্টগেজ’ বা কোলেটারেল। দ্বিতীয়ত, বড় বড় গ্রুপের আরেকটা সবিধা আছে, যা ব্যাংকারদের সুন্দর আবিষ্কার। এর নাম ‘ট্রাস্ট রিসিট’। আমদানি হলো। ব্যবসায়ী টাকা দিয়ে বন্দর থেকে পণ্য ছুটাতে পারেন না।

ব্যাংকে আসে। ব্যাংক একটা ‘ট্রাস্ট রিসিটে’ সই করায়। কথা থাকে, এই টাকা দিয়ে পণ্য ছুটবে, পণ্য বিক্রি করবে। বিক্রীত পণ্যের টাকা দিয়ে ব্যাংকের ঋণ শোধ করবে। দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে এই শোধ আর হয় না। এসব ‘টিআর’-এর টাকা মেয়াদি ঋণে পরিণত হয়। আর ঋণ মঞ্জুরি, প্রকল্প ঋণ মঞ্জুরি-এ কাজ স্বাভাবিক নিয়মে হওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। ‘ক্ষমতা’, তদবির, বলপ্রয়োগ ইত্যাদি নিয়মিত ঘটনা ব্যাংক খাতে। অতএব বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার বক্তব্য বিশেষ ধোপে টেকে না।

ব্যবসা করার টাকা, ব্যবসা সম্প্রসারণের টাকা কার? যদি ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা পুরোটা নিজেদের টাকায় করেন, তাহলে তা উত্তম উদাহরণ। বড় বড় ব্যবসায়ীদের অনেকেরই প্রচুর ধন-সম্পত্তি, নগদ টাকা আছে। প্রতিবছর মুনাফার টাকা তাদের হস্তগত হয়। যেমন সয়াবিন তেল ব্যবসা। প্রতিবছর এর দাম বাড়ে ডজনবার। এর দ্বারা একশ্রেণির ব্যবসায়ী বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে নেন। যদি ওই টাকা তারা বিনিয়োগ করেন এবং ব্যাংকে ঋণের জন্য না আসেন, তাহলে অতি উত্তম। অথবা যদি বড় বড় গ্রুপ বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করে বা ঋণ নেয় জনসাধারণের কাছে বন্ড, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি বিক্রি করে, তাহলেও তা উত্তম উদাহরণ।

কিন্তু আমাদের বেসরকারি খাতের অনেক ব্যবসায়ী প্রাইভেট কোম্পানির মাধ্যমে ব্যবসা করেন। তারা ‘প্রফিট’ ভাগাভাগি করতে রাজি নন। কোম্পানিকে ‘পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি’ করে নিয়মাধীন হতে রাজি নন। এসব কিছুই না করে সরকারি উদার ঋণনীতির সুবিধা তারা নেন। সরকারের নীতি হচ্ছে দৃশ্যত কিছু লোকের হাতে টাকা ধরিয়ে দেওয়া, তাদের ঋণী করা যাতে তারা ওই টাকা বিনিয়োগ করে। দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তারা এই উদারনীতি, অল্পসুদে ঋণ, ঋণ পুনঃতফসিলকরণ, ঋণ পুনর্গঠন, ‘ট্রাস্ট রিসিটের’ সুবিধা, পার্সোনাল ও করপোরেট গ্যারান্টির আশ্রয় নেওয়া-এসবের সুবিধা নেয়।

সর্বোপরি সুবিধা কর ব্যবস্থার। নানা ধরনের কর রেয়াত তারা ভোগ করে। এই কর রেয়াতের কারণে আমাদের ‘কর-জিডিপি’ হার বেশ কম। সবচেয়ে বড় কথা, বেসরকারি খাতের অনেক ব্যবসায়ী কোম্পানি ‘পেইড-আপ ক্যাপিটেল’ বাড়াতে অনাগ্রহী। অনেক কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন দুই-চার-পাঁচ লাখ টাকা। অথচ তারা ৫০-১০০ কোটি টাকার ঋণপত্র খোলে এবং ব্যাংকও তাতে সহায়তা দেয়। এই যে ‘আদর’ তারা পাচ্ছে, তার অনেক কারণ আছে। তবু সরকারি নীতিই এর জন্য দায়ী নয়। ব্যাংকগুলোও বহুলাংশে দায়ী। অধিকসংখ্যক ব্যাংক বাজারকে অস্থিতিশীল করছে।

দেশে বর্তমানে বেসরকারিসহ সব মিলে ৬১টির মতো ব্যাংক আছে। তার ওপর আছে ২০-২৫টি নন-ব্যাংক ফিন্যান্সিয়লি ইনস্টিটিউউশন (এনবিএফআই), ডজন ডজন বিমা কোম্পানি। এসব মিলে আর্থিক খাত এখন অর্থ জোগানদাতায় সয়লাব। প্রতিযোগিতা, আর প্রতিযোগিতা। এক ব্যাংক সুবিধা দেবে না তো আরেক ব্যাংক দেবে। বেসরকারি ব্যাংক দেবে না তো তদবিরে সরকারি ব্যাংক দেবে। এমনকি ‘খেলাপি ঋণ’ পর্যপ্ত কিনে নেয় কোনো কোনো ব্যাংক। এর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়। এটা পাওয়া অতি সহজ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় ব্যাংকাররা ক্লান্ত।

টার্গেটের ভারে সবাই ন্যুব্জ। অবসাদ, ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগে ধরছে ব্যাংকারদের। বাড়ছে ঋণখেলাপ সমস্যা এবং এ সমস্যা বড় বড় ঋণগ্রহীতাদের নিয়েই বেশি। আবার এ কারণে ছোটরা ঋণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বড়দের ঋণচাহিদা বড়। তাদের প্রকল্প বড় বড়। তাদের ব্যবসা বহুমুখী। ১০-২০-৩০-৪০টি কোম্পানি খুলে তারা ব্যবসা করে। এমন কোনো খাত নেই, যেখানে তারা ব্যবসা করতে চায় না। ফলে অনেকেই আজ অতিরিক্ত ঋণ নিয়ে ডুবে আছে। ঋণখেলাপি হচ্ছে, ব্যবসা লাটে যাচ্ছে, অর্জিত সম্পত্তি বিক্রি করতে পারছে না, কেউ কেউ দেশ থেকে পালিয়েছে, টাকা পাচার করছে।

বড় বড় গ্রুপের সমস্যার মধ্যে অতিরিক্ত ঋণের বিষয়টি আজ পরিষ্কার। ‘ওভার বরোয়িং’-প্রয়োজনাতিরিক্ত ঋণের বোঝা বহনে তারা অনেকেই অক্ষম। খবরের কাগজে এসব দুঃসংবাদ ছাপা হচ্ছে। তাদের মধ্যে উত্তরাধিকার সমস্যা রয়েছে, উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। এদিকে এ সমস্যা এখন ব্যাংকারদের সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বড় বড় ঋণগ্রহীতাকে দেওয়া ঋণ ফেরত না এলে ব্যাংকের অবস্থা সঙ্গীন হবে। তারা তারল্য সংকটে ভুগবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ‘ক্যাশ রিজার্ভ’ রাখতে ব্যর্থ হবে। এ কারণে বড় বড় ঋণগ্রহীতা এখন ‘দুশ্চিন্তামুক্ত’ আছেন। তাদের বাঁচিয়ে না রাখলে ব্যাংক ডুববে, হাজার হাজার কর্মচারী, শ্রমিক, কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটবে। বলা যায়, তাদের কাছে ব্যাংকগুলো এখন জিম্মি। এর জন্য কি ব্যাংকাররা কম দায়ী?

ড. আর এম দেবনাথ : অর্থনীতি বিশ্লেষক; সাবেক শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments