তখন মধ্যদুপুর, সূর্য মধ্য আকাশে- গনগনে রোদ ঢেলে দিচ্ছে। মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারও তখন বেশ উত্তপ্ত। মৌচাক মার্কেটের ওপরে ফ্লাইওভারের মোড়ে যে সিগন্যাল রয়েছে সেখানে আটকে আছে একটি গাড়ি। কাছে গিয়ে দেখা গেল অমিত হাসান। যাবেন বাংলা মোটরের দিক। কিন্তু একটি মোটর সাইকেল আড়াআড়িভাবে রেখে ফ্লাইওভারের ওই পথটুকু আটকে দেওয়া হয়েছে। 

আকস্মিকভাবে ওই পথটুকু আটকে দেওয়ায় শান্তিনগর, কমলাপুরের দিক থেকে যে সকল যানবাহন আসছিল সেসব একের পর আটকে রীতিমতো জ্যাম তৈরি ফেলছিল। অমিত হাসান গাড়ির গ্লাস খুলে দেখছিলেন ঘটনা কী! একজন সার্জেন্ট এগিয়ে এলেন। জানালেন এই পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সাময়িকভাবে। কারণ জানতে চাইলেন অমিত হাসান। সার্জেন্ট যেন অমিত হাসানকে চিনতে পারলেন। 

এগিয়ে বললেন, ‘আপাতত বন্ধ এটা।’ তাহলে বাংলা মোটর কিভাবে যাব? কোন রাস্তা খোলা আছে? এই প্রশ্ন গুলো অন্য যানবাহন থেকে জিজ্ঞেস করা হলো। সার্জেন্ট সঠিক তথ্য দিতে পারলেন না। শনিবার দুপুরের ঘটনা।

অমিত হাসান অবশ্য বেশকিছু সময় অনুরোধ করলেন, সার্জেন্ট কোনোভাবেই নমনীয় হলেন না। জরুরি কাজের কথাও শুনলেন না। বেশকিছুক্ষণ চিন্তার পর ধূসর নীলচে গাড়িটা ঘোরালেন অমিত হাসান। 

রোদের তেজ তখন আরো কিছুটা বেড়েছে, হলদে রোদ যেন আগুন হয়ে নেমে আসছে বসন্তের দুপুরে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

English