Saturday, April 20, 2024
spot_img
Homeআন্তর্জাতিকফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নীতি বর্ণবাদের সমতুল্য

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নীতি বর্ণবাদের সমতুল্য

অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল এবং অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আইন, নীতি এবং কার্যকলাপ বর্ণবাদের সমতুল্য।

এক নতুন প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ইসরায়েল রাষ্ট্র ইহুদি ইসরায়েলিদের সুবিধার জন্য ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নিপীড়ন এবং আধিপত্যের একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা বজায় রেখেছে।

আন্তর্জাতিক আইনে বর্ণবৈষম্যকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ইসরায়েল বলেছে, তারা এ প্রতিবেদনের ‘সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে’।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র অ্যামনেস্টির বিরুদ্ধে ‘সুপরিচিত ইসরায়েল-বিরোধী বিদ্বেষমূলক সংগঠন থেকে উদ্ভূত মিথ্যা, অসঙ্গতিপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন বক্তব্য নতুন করে উত্থাপনের অভিযোগ তোলেন।

ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটি ‘ফিলিস্তিনী জনগণের ওপর পরিচালিত বদ্ধমূল বর্ণবাদ, বিচ্ছিন্নকরণ, নিপীড়ন, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ এবং মুছে ফেলার প্রচেষ্টার নিষ্ঠুর বাস্তবতার বিশদ স্বীকৃতি।

দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকার ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দেশটির কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরুদ্ধে যে জাতিগত বিচ্ছিন্নতা এবং বৈষম্যের নীতি যা প্রয়োগ করেছিল তাই বর্ণবৈষম্য হিসেবে পরিচিত।  

তিনটি প্রধান আন্তর্জাতিক চুক্তি বর্ণবৈষম্যকে নিষিদ্ধ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৯৭৩ সালের বর্ণবাদমূলক অপরাধ দমন ও শাস্তি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন।

কনভেনশনে বর্ণবৈষম্য বলতে বোঝানো হয়েছে একটি জাতিগত গোষ্ঠীর দ্বারা অন্য কোনো জাতিগত গোষ্ঠী বা ব্যক্তির ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও বজায় রাখা এবং পরিকল্পিতভাবে তাদের নিপীড়নের উদ্দেশ্যে সংঘটিত অমানবিক কাজ। সূত্র: বিবিসি

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments