Thursday, July 18, 2024
spot_img
Homeআন্তর্জাতিকপাকিস্তান-আফগানিস্তানে সেনা পাঠাতে চায় চীন!

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে সেনা পাঠাতে চায় চীন!

শ্রীলঙ্কায় পর্যবেক্ষণকারী জাহাজ নোঙ্গর করার পর এবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে সেনা পাঠাতে চায় চীন। কারণ, সংঘাতকবলিত এই দেশ দুটিতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অংশ হিসেবে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে চীন। এখন সেখানে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার পরিকল্পনা করছে তারা। তাই বিশেষভাবে সৃষ্ট আউটপোস্টগুলোতে নিজেদের সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে চীন। কূটনৈতিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। 

এতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান-আফগানিস্তান রুটের মাধ্যমে মধ্য এশিয়ায় নিজের প্রভাব বিস্তার করছে চীন। তারা কৌশলগত বিনিয়োগ করেছে এ দুটি দেশে। তাদের একটি জাহাজ, যা স্যাটেলাইট ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে, তা মঙ্গলবার সকালে নোঙ্গর করেছে শ্রীলংকার হাম্বানতোতা বন্দরে। এ নিয়ে ভারতে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। 

পাকিস্তানে চীনের বিনিয়োগ বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৬০০০ কোটি ডলার। এর ফলে দেশটি অর্থনীতির ক্ষেত্রে শুধু চীনের ওপরই বড় মাপে নির্ভরশীল এমন নয়, একইভাবে তাদের সামরিক ও কূটনৈতিক সমর্থনের ওপরও নির্ভরশীল। পাকিস্তানে ক্ষমতায় বড় রকমের ভারসাম্য রয়েছে।

একে সুযোগ হিসেবে নিয়ে চীন তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে। যাতে সেখানে আউটপোস্ট নির্মাণে অনুমতি দেয়া হয়। এসব আউটপোস্টে অবস্থান করবে তাদের সশস্ত্র ব্যক্তিরা। 

ওদিকে আফগানিস্তানে বর্তমানে শাসন করছে তালেবানরা। চীন এবং একই সঙ্গে পাকিস্তানের প্রত্যাশার অনেকটাই তারা এখনও পূরণ করে নি। ইসলামাবাদের শীর্ষ কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক সূত্রগুলো বিশ্বাস করেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের মতো করে সামরিক আউটপোস্ট নিয়ে কাজ করছে চীনের পিপল লিবারেশন আর্মি। তারা একে বলতে পারে মসৃণ অপারেশন এবং তা বিস্তৃত হতে পারে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ পর্যন্ত। 

কূটনৈতিক সূত্রমতে, চীনা রাষ্ট্রদূত নং রং এরই মধ্যে এ প্রেক্ষিতে সাক্ষাত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি ও সেনা প্রধান জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়ার সঙ্গে। এ বছরের মার্চের শেষ থেকে পাকিস্তানে ছিলেন না রাষ্ট্রদূত রং। তিনি সম্প্রতি ফিরেছেন পাকিস্তানে। তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে চীনা সেনাদের জন্য আউটপোস্ট সৃষ্টির বিষয় এসেছে বলে মনে করা হয়। তিনি অব্যাহতভাবে চীনা প্রকল্পগুলো এবং তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা বলে আসছেন। তারা এরই মধ্যে গোয়েদ্বারে নিরাপত্তা আউটপোস্ট স্থাপনের দাবি তুলেছে। একই সঙ্গে নিজেদের যুদ্ধ বিমানের জন্য গোয়েদ্বার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments