নিউইয়র্কে গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রের পলিটিক্সে সম্পৃক্ত থাকা খুবই প্রয়োজন ও গুরুত্বপূর্ণ। ডেমোক্রেটিক পার্টি অথবা রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্বের সাথে প্রবাসীদের ভালো একটা সম্পর্ক তৈরী হলে দেশের পরিস্থিতির ওপরে তারা একটা প্রভাব ফেলতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্র সফররত ড. রেজা কিবরিয়াকে নিউইয়র্কবাসীর পক্ষ থেকে গত ৫ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটস নবান্ন পার্টি হলে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ (বাপ্রঅপ)। গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ আহমেদ পাটওয়ারির সভাপতিত্বে এবং বাপ্রঅপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছাত্তার পলাশের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাপ্রঅপের সহ সভাপতি আলী হোসেন ও জিয়াউল হাশেম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান তুহিন, অর্থ সম্পাদক মাহফুজুল হাসান জাভেদ, ক্রীড়া সম্পাদক আল আমিন সৈয়কত, কার্যকরী সদস্য আসিফ হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রধান রহমত উল্লাহ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সারোয়ার চৌধুলী, আবুল কালাম প্রমুখ। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।

ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, এবার আমেরিকায় এসেছি আমাদের সাংগঠনিক কাজে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সভা করেছি। ভবিষ্যতে আমরা বিভিন্ন স্টেটে গণঅধিকার পরিষদের কমিটি দেব। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে বড় একটি সাংগঠনিক কমিটি করবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল পরিচালনা বিধিতে বিদেশে সরাসরি শাখা খোলার সুযোগ নেই। সেজন্য সমর্থক গ্রুপ তৈরি করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রে।
ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষ খুবই বিপদে আছে। মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই। একটা অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায়। সবাইকে বিভিন্ন জুলুম-নিপীড়ন সহ্য করতে হচ্ছে। মানুষ জেলে গেলে তাদের ইলেকট্রিক শক দিয়ে মেরে ফেলা হয়। আওয়ামী লীগ গত ৮ বছরে গুম-হত্যার এই রাজনীতি এনেছে।

তিনি বলেন, করোনার তান্ডবের চেয়েও ভয়ংকর একটা পরিস্থিতির মধ্যে নিপতিত গোটা বাংলাদেশ। মানুষ স্বস্তি চায়। গণতান্ত্রিক শূন্যতা দূর করতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সাথে সমগ্র জনগোষ্ঠীকে একীভূত করতে আমরা মাঠে নেমেছি।
ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, দেশের জন্যে আমার বাবা (প্রয়াত শাহ এএমএস কিবরিয়া) অনেক কিছু করেছেন। আরও কিছু করতে চেয়েছিলেন। তার খুব শখ ছিল সিলেটের নবীগঞ্জ-বাহুবলের এমপি হবার। ২০১৮ সালে আমি তার সে স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেটি তো কোনো নির্বাচন ছিল না। ১৭৫টির মধ্যে প্রায় ১৫০টি ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয়া হয় সকাল ১১টার মধ্যে। এতদস্বত্বেও আমি ৮৬ হাজার ভোট পেয়েছি। কিন্তু তারা ব্যালট বাক্স জালিয়াতি করে নির্বাচনের ফলটা ফাল্টে দিলো।