Monday, March 27, 2023
spot_img
Homeধর্মনবীজি (সা.)-এর ভালোবাসা ঈমানের অংশ

নবীজি (সা.)-এর ভালোবাসা ঈমানের অংশ

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। এই ক্ষেত্রে অপূর্ণতা ঈমানেরই অপূর্ণতা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন! তোমাদের কাছে যদি আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করা অপেক্ষা অধিক প্রিয় হয় তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের স্বগোষ্ঠী, তোমাদের অর্জিত সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, যার মন্দা পড়ার আশঙ্কা করো এবং তোমাদের বাসস্থান যা তোমরা ভালোবাসো, তবে অপেক্ষা কোরো আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত। আল্লাহ সত্যত্যাগী সম্প্রদায়কে সৎপথ প্রদর্শন করেন না।

(সুরা তাওবা, আয়াত : ২৪)

উল্লিখিত আয়াতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভালোবাসাকে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা পোষণের অনুরূপ হিসেবে পেশ করা হয়েছে এবং যারা নবীজি (সা.)-এর ভালোবাসা থেকে বিমুখ তাদের সতর্ক করা হয়েছে। আয়াত দ্বারা আরো প্রমাণিত হয় যে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসা ও আনুগত্য ছাড়া আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করা সম্ভব নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে সত্তার হাতে আমার জীবন! তোমাদের কেউ পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার মা-বাবা ও সন্তান-সন্তুতি থেকে প্রিয় হবো। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৪)

তবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি মুমিন ভালোবাসা মূলত আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই। আল্লামা ইবনুল কায়্যিম (রহ.) বলেন, মানুষের প্রতি সব সম্মান ও ভালোবাসা বৈধ, যদি তা আল্লহর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার অনুগামী হয়; তাঁর রাসুলের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসাও অনুরূপ। তবে রাসুলের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসাটি হয় সর্বোচ্চ স্তরের। উম্মত নবীজি (সা.)-কে ভালোবাসে। কেননা আল্লাহ তাঁকে ভালোবাসেন, তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। কেননা আল্লাহ তাঁকে সম্মান দিয়েছেন। নবীজি (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর প্রতিই ভালোবাসা এবং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার দাবি। (আশ-শিফ বি-তারিফি হুকুকিল মোস্তফা : ১৮/২, ৩৩)

আল-মাউসুয়াতুল আকাদিয়া

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments