Sunday, June 16, 2024
spot_img
Homeবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিচীন যাবে ‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা

চীন যাবে ‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হলো ‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতা। আয়োজক হুয়াওয়ের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ইউনেসকো। প্রতিযোগিতাটির লক্ষ্য স্থানীয় আইসিটি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও প্রতিভা বিকাশ। এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৮ জনকে বাছাই করা হয়।

এই পর্যায়ে একক ও দলীয়—দুই রকম প্রতিযোগিতা ছিল। আইসিটিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে নতুন সমাধান সম্ভব এবং এর ব্যাবসায়িক সফলতার সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে দলভিত্তিক আইডিয়াগুলো নির্বাচিত করা হয়।শীর্ষ আইডিয়া হিসেবে নির্বাচিত হয় ‘ধারা’। কিভাবে সৌরশক্তি ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করেছে ‘ধারা’।

প্রথম রানার্স আপ হিসেবে বিজয়ী হয়েছে ‘টেরা বিন’, যাদের বিজনেস আইডিয়া ছিল সোলার কম্পোস্টার ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা যায়। দ্বিতীয় রানার্স আপ হিসেবে নির্বাচিত হয় ‘সোলনেট’। এই দলটি ক্লাউড প্রযুক্তি ও অ্যাপের ব্যবহার করে কিভাবে সহজে ও কম খরচে সোলার প্লান্ট তৈরি ও ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করেছে। চ্যাম্পিয়ন, ১ম ও ২য় রানার্স আপ দল যথাক্রমে তিন লাখ টাকা, দুই লাখ টাকা এবং এক লাখ টাকা মূল্যের প্রাইজমানি পেয়েছে।
এই অর্থ তারা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহার করতে পারবে।এ ছাড়া চারজন প্রতিযোগী তাঁদের বিশেষ পারফরম্যান্সের কারণে ব্যক্তিগতভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের ছাত্রী কায়সারী ফেরদৌস, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গ্র্যাজুয়েট মাহমুদা নাঈম, এসবিআইটি লিমিটেডের ডিজাইন ভেরিফিকেশন ইঞ্জিনিয়ার সুমাইয়া তারিক লাবিবা এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ইইই বিভাগের ছাত্রী সাফরিনা কবির। এই বিজয়ীরা চীনে সফর করে দেশটির স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে ৪ জুন রাতে অনুষ্ঠিত গালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জারা জাবীন মাহবুব এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনেসকোর অফিস প্রধান ও প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ, আইইউটি-এর ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী প্যান জুনফেং।
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments