Thursday, July 18, 2024
spot_img
Homeবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগেমটি আপনাকে নস্টালজিক করবে

গেমটি আপনাকে নস্টালজিক করবে

জাপানি আরপিজি গেমগুলো প্রায় সব গেমারের কাছেই সমাদৃত। ফাইনাল ফ্যান্টাসি বা আর্থবাউন্ড সেই সময় ভিডিও গেম কেমন হতে পারে তার ধারণাই বদলে দিয়েছিল। বলা যায় সেসব গেমের নস্টালজিয়াকে কেন্দ্র করেই নির্মাতা স্যাবোটাজ স্টুডিও প্রকাশ করেছে গেম-সি অব স্টারস।

যাঁরা ক্রনো ট্রিগার খেলেছেন তাঁদের কাছে গেমটির গ্রাফিকস, মিউজিকের স্টাইল এবং গেমের কাহিনি ও কম্ব্যাট অনেকটাই পরিচিত লাগবে।বলা যায় ক্রনো ট্রিগারের আদলেই পুরো গেমটি তৈরি করা হয়েছে। প্রায় চার দশকের পুরনো গেমের সব কিছু আজকের গেমারদের কাছে ভালো লাগবে না, সেটাই স্বাভাবিক, সে জন্য অবশ্য ক্রনো ট্রিগারের জটিল গেমপ্লে ও কাহিনির অনেকটাই বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে করে নতুন গেমারদের জন্য সি অব স্টারস সহজবোধ্য লাগলেও পুরনো ফ্যানদের কাছে কিছুটা পানসে লাগবে।

গেমটিতে মূল চরিত্র দুটি।

যেল এবং ভ্যালের—এ দুজনই অতি প্রাকৃতিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছে। দুজনই গেমটি খেলার সময় কাজে লাগবে, তবে শুরুতেই কে হবে দলের নেতা সেটা বাছাই করে দেওয়া যাবে। গেমের কাহিনির শুরুতে জানা যাবে এক অজানা অত্যন্ত শক্তিশালী শত্রু, দ্য ফ্লেশম্যান্সার, গেমের দুনিয়াকে গ্রাস করার অপচেষ্টা করছে বহুকাল ধরেই। বেশ কিছু শক্তিশালী যোদ্ধা মিলে তাকে ঠেকিয়ে রেখেছে, কিন্তু পরাস্ত করার শক্তি তাদের নেই।যেল এবং ভ্যালের তাদের ক্ষমতার মাধ্যমে পারবে ফ্লেশম্যান্সারকে পরাস্ত করতে, দুনিয়াকে তার হাত থেকে রক্ষা করতে। তবে তার আগে যেল এবং ভ্যালেরের প্রয়োজন অনুশীলন এবং ফ্লেশম্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার সঠিক উপায় খুঁজে বের করা।

গেমের গ্রাফিকস পুরনো দিনের ১৬-বিটের মতো, তবে টুডি স্প্রাইট নয়, থ্রিডি মডেল ব্যবহার করেই তৈরি। খেলতে হবে আইসোমেট্রিক ভিউতে, তবে চলাফেরা কি-বোর্ড ব্যবহার করেই করতে হবে। গেমটিতে মাউসের ব্যবহারই নেই, পুরো নিয়ন্ত্রণই কি-বোর্ড বা কন্ট্রোলারভিত্তিক।শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করতে হবে টার্ন-বেইজড সিস্টেমে, সরাসরি আঘাত, স্কিল বা জাদুবিদ্যা সব কিছুই ব্যবহার করা যাবে।

শুরুতে গেমের ডিজাইন দেখে ওপেন ওয়ার্ল্ড মনে হলেও গেমটি আসলে খুবই লিনিয়ার, ঘোরাঘুরি করে নতুন কিছু আবিষ্কার করার কিছু নেই। মিশনগুলো একাধিকভাবে খেলারও সুযোগ নেই, তাই গেমটি একবার শেষ করার পর নতুন করে না খেললেও চলবে। গেমের প্রতিটি শত্রুর সঙ্গেই করতে হবে লড়াই, এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। সেসব দিক থেকে পুরনো ক্রনো ট্রিগারের চেয়ে সি অব স্টারস পিছিয়ে আছে। তবে গেমের দৈর্ঘ্য খুব ছোট নয়, প্রায় ৩০ ঘণ্টা লাগবে শেষ করতে। তাই অতৃপ্ত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

বয়স

গেমটি খেলতে পারবে কিশোর বয়সীরা।

খেলতে যা যা লাগবে

অন্তত কোর ২ ডুয়ো প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‌্যাম, জিফোর্স ৫২০ বা রেডিওন আর৫ ২৩০ গ্রাফিকস এবং ৫ গিগাবাইট খালি জায়গা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments