Thursday, June 20, 2024
spot_img
Homeসাহিত্যগাজীপুরের সাহিত্য জগৎ

গাজীপুরের সাহিত্য জগৎ

গাজীপুর এক ঐতিহাসিক জনপদ। ইতিহাসখ্যাত ‘ভাওয়াল পরগনা’ই বর্তমানে গাজীপুর জেলা। কিন্তু জেলা হিসাবে গাজীপুর নতুন হলেও এর রয়েছে সমৃদ্ধ ও কালোত্তীর্ণ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, পাকিস্তান-ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, মোগল আমলে বাংলার বারো ভূঁইয়াদের স্বাধীনচেতা কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গাজীপুরবাসীদের রয়েছে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা। রাজনীতি-শিল্পসংস্কৃতি ধারার পাশাপাশি সেই ব্রিটিশ আমল থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত গাজীপুরের সাহিত্যের ধারাটিও যথেষ্ট পরিপুষ্ট ও সমৃদ্ধ। গাজীপুরে সাহিত্যচর্চায় যারা অবদান রেখেছেন নিচে তাদের পরিচিতি দেওয়া হলো।

গোবিন্দচন্দ্র দাস (১৮৫৫-১৯১৮) : অতীতের দিকে দৃষ্টি ফেরালে প্রথমেই যে কবির নামটি উল্লেখ করতে হয় তিনি হলেন কবি গোবিন্দচন্দ্র দাস (১৮৫৫-১৯১৮ খ্রি.)। বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘স্বভাব কবি’ এ অভিধায় পরিচিতি পেলেও মূলত বাংলার নিভৃত পল্লির পরিমণ্ডলের কাব্যধারায় তাকে প্রকৃতি ও প্রেম, মাতৃভূমিপ্রীতি, স্বজনবিরহ, জুলুম/নির্যাতন-অবিচারবিরোধী দ্রোহ-চেতনার কবি-মানস বলাই সঙ্গত। তার রচিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা দশটি। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি হচ্ছে ‘মগের মুল্লুক’ (১৮৯৩ খ্রি.)। ভাওয়ালের তৎকালীন রায় চৌধুরী সামন্তশাসকদের অন্যায়-অবিচার-জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্যধর্মী এ কাব্যটি ইতিহাসের এক আকর। তার রচিত বহু কবিতা স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে অনন্য। তার রচিত বিখ্যাত কবিতার মধ্যে রয়েছে : ‘ভাওয়াল আমার অস্থিমজ্জা ভাওয়াল আমার প্রাণ/আমি তার নির্বাসিত অধম সন্তান।’ এ ছাড়া ‘দিন ফুরায়ে যায়রে আমার দিন ফুরায়ে যায়/মাঝের রবি ডুবছে সাঁঝে/দিনটা গেল বৃথা কাজে/কেমন করে হিসাব দিবি নিকাশ যদি চায়।’

কালীপ্রসন্ন ঘোষ (১৮৪৩-১৯১০ খ্রি.) সুসাহিত্যিক ও বহু গ্রন্থপ্রণেতা কালীপ্রসন্ন ঘোষের জন্ম মুন্সীগঞ্জে (তৎকালীন বিক্রমপুর) হলেও ভাওয়াল পরগনার ম্যানেজার থাকার সুবাদে তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত হয়েছে গাজীপুরে (তৎকালীন জয়দেবপুর)। তিনি বিখ্যাত ‘বান্ধব’ ও ‘শুভসাধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি জয়দেবপুরে ‘সাহিত্য সমালোচনা সভা’ নামে একটি সাহিত্য সংসদও গড়ে তুলেছিলেন। তার অমূল্য সাহিত্য রচনার অনেক জয়দেবপুর বসবাসকালীন সময়ে রচিত হয়েছিল।

নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী (১৮৮০-১৯৪৪ খ্রি.) গাজীপুর সদরের বাড়ীয়া ইউনিয়নের বলধার জমিদার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন গাজীপুরের গাছা গ্রামে। গাছার জমিদার মহিমচন্দ্র ঘোষের দুপুত্রের মধ্যে কনিষ্ঠপুত্র ছিলেন নরেন্দ্রনারায়ণ। বলধার জমিদার হরেন্দ্রচন্দ্র রায় চৌধুরী তাকে দত্তক পুত্র নেন। নরেন্দ্রনারায়ণ ঢাকার বিখ্যাত ‘বলধা গার্ডেন’-এর নির্মাতা। তিনি ছিলেন নাটক পাগল। তার রচিত ১৩৮ বইয়ের নাম জানা যায়। অল্প কয়েকটি ছাড়া বাকি সবই ছিল তার রচিত নাটক। বলধায় তিনি একটি স্থায়ী নাট্যমঞ্চ নির্মাণ করেছিলেন। এ নাট্যমঞ্চে এবং ঢাকার বলধা (নিমফ) হাউজ নাট্যমঞ্চে নিয়মিত তার রচিত নাটক মঞ্চস্থ হতো। তার রচিত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থও রয়েছে।

আবু জাফর শামসুদ্দিন (১৯১১-১৯৮৮ খ্রি.) প্রখ্যাত সাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দিন কালীগঞ্জের দক্ষিণবাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। একজন সুসাহিত্যিক ছাড়াও তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। কলামিস্ট হিসাবেও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। মূলত উপন্যাস রচয়িতা হলেও তিনি অনেক গল্প, প্রবন্ধ, আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ, ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি লিখেছেন। তার একটি বিখ্যাত বই হচ্ছে ‘ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান’ (১৯৬০ খ্রি.)। বইটিতে ভাওয়ালের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে।

ড. মুহাম্মদ এখলাস উদ্দীন (১৯৩৮-১৯৮৪ খ্রি.)

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন পদার্থবিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ এখলাসউদ্দীন একজন জনপ্রিয় শিশু সাহিত্যিক। তিনি টঙ্গীর দত্তপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বাংলার পাশাপাশি তিনি ইংরেজি ও আরবিতে ছিলেন দক্ষ। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি এন্ট্রান্স পরীক্ষায় বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রথম স্থান পেয়ে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন। পরে লন্ডন থেকে ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশি-বিদেশি বহু জার্নালে তার অনেক গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক। তার জনপ্রিয় বহু শিশুবিষয়ক লেখা দেশের নানা শিশুপাঠ্যপুস্তকে প্রকাশিত হয়েছে।

ব্যারিস্টার অতুলপ্রসাদ সেন (১৮৭১-১৯৩৪ খ্রি.)

প্রখ্যাত কবি, গীতিকার, সংগীত সম্রাট ব্যারিস্টার অতুলপ্রসাদ সেন ছিলেন গাজীপুরের কাওরাইদের জমিদার কালীনারায়ণ গুপ্তের (১৮৩০-১৯৩০ খ্রি.) দৌহিত্র। তার পূর্বপুরুষদের বাড়ি বৃহত্তর ফরিদপুর জেলায় থাকলেও তিনি ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাহিত্যচর্চা করেছেন মূলত কাওরাইদে বসে। তার বিখ্যাত ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ’মরি বাংলাভাষা’-এ গানটিও তিনি কাওরাইদে বসেই রচনা করেছিলেন। জানা যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১ খ্রি.) ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর এ গানটি তাকে উৎসর্গ করেছিলেন অতুলপ্রসাদ সেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ট্রেনে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ৭ ফেব্রুয়ারি কাওরাইদে অতুলপ্রসাদ সেনের আতিথ্য গ্রহণ করেছিলেন। উল্লেখ্য, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও (১৮৯৯-১৯৭৬খ্রি.) তার নির্বাচনী প্রচারণায় ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জয়দেবপুর এসেছিলেন। এ সময় তিনি ‘জয়দেবপুরের পথে’ (পরে নাম দেন ‘চাঁদনী রাতে’) নামে একটি কবিতা রচনা করেছিলেন।

কালীনারায়ণ গুপ্ত (১৮৩০-১৯৩০খ্রি.) গাজীপুরের কাওরাইদ এলাকার জমিদার কালীনারায়ণ গুপ্ত ছিলেন গীতিকার ও গায়ক। কালীনারায়ণ রচিত বহু গানে এলাকার প্রকৃতি-পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতা লক্ষ করা যায়। তিনি ‘সংগীত’ নামে একটি জনপ্রিয় গানের বই রচনা করেন যেটি সে সময় সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। কালীনারায়ণের পুত্র স্যার কে জি গুপ্ত (ব্যারিস্টার) ছিলেন প্রথম বাঙালি আইসিএস অফিসার, ইন্ডিয়ান ভাইসরয়ের ইন্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য এবং ইংল্যান্ডের ‘হাউজ অব কমন্স’-এর সম্মানিত সদস্য। তার মামাতো ভাই গিরীশচন্দ্র সেন পবিত্র কুরআন শরিফের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেছিলেন। কে জি গুপ্তের ভাগ্নে অতুলপ্রসাদ সেন আর অতুলপ্রসাদ সেনের ভাগ্নে হলেন বাংলা সাহিত্য ও চলচিত্রের কিংবদন্তিতুল্য প্রবাদপুরুষ সত্যজিৎ রায়।

এ প্রসঙ্গে গাজীপুরের সাহিত্য জগতে লেখক-কবি-প্রাবন্ধিক-নাট্যকার হিসাবে আরও যাদের নাম উল্লেখ করতে হয় তাদের তালিকা নিুে দেওয়া হল। (উল্লেখ্য, প্রবন্ধের পরিসর সীমিত রাখতে এবং সময়ের স্বল্পতায় কারও নাম বাদ পড়ে গেলে তার জন্যে আমি দুঃখিত)।

মোলায়েম হোসাইন উয়ায়েসী মোলায়েম হোসাইন উয়ায়েসী-ভাওয়াল রাজপরিবার ও রাজাদের ওপর গবেষণাধর্মী বই ‘পরগনায়ে ভাওয়াল ও সন্ন্যাসী কুমার’ (১৯৯২) প্রকাশ করে খ্যাতি লাভ করেছেন। মো. নুরুল ইসলাম (ভাওয়ালরত্ন)-জয়দেবপুর রাণী বিলাসমণি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। বহু সংখ্যক কবিতা লেখার পাশাপাশি ভাওয়াল ও গাজীপুরের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তার লেখা অনেক প্রবন্ধ রয়েছে।

কালিয়াকৈরের বাড়ইপাড়া গ্রামের কালীচরণ চারণকবি হিসেবে স্বদেশি ও দেশাত্মবোধক এবং দেহতত্ত্বমূলক অনেক গান রচনা করেছেন। গাজীপুর সদরের রাহাপাড়া গ্রামের মো. আবদুর রউফ চারণ নাট্যকার হিসাবে খ্যাতি লাভ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের সুযোগ্য কন্যা বর্তমান সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি ও অপর কন্যা মাহজাবিন আহমদ সিমিও অনেক প্রবন্ধ রচনা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন ও অবসরপ্রাপ্ত পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা আখতার হোসেন খানও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। নাট্যচর্চা প্রসারে অধ্যাপক মো. আয়েশ উদ্দিন, কাজী মোখলেসুর রহমান (কাজী বাটা), প্রফেসর ড. রশীদ হারুন, মো. ফিরোজ উদ্দিন, আহমেদ ফজলুর রহমান, ম. আহাদ ভাওয়ালী, প্রয়াত আহসানুল কবির ভূইয়া কাকুল, আবদুল হাই দুর্বভর, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আব্দুর রউফ, রুহুল আমিন, হেলাল মিয়া, সেকানুল ইসলাম শাহী, যাত্রাশিল্পে মো. মোজাফ্ফর হোসেন মোহন কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। আবৃত্তিশিল্পে কবি এড. মু. ইস্তেকবাল হোসেন, লিয়াকত চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম জানু, সাজেদা রোজী, প্রয়াত মোবারক হোসেনের নাম উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া গাজীপুরে সাহিত্য-শিল্প-জগতে আরও যারা বিশিষ্ট ভূমিকা রেখেছেন তারা হলেন অধ্যাপক ইয়াকুব আলী সরকার, প্রয়াত অধ্যাপক অবনীকুমার বর্মণ, প্রফেসর এম.এ বারী, গোলাম সোলায়মান, প্রয়াত অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান (মুক্তিযুদ্ধ গবেষক), অধ্যাপক ড. ফরিদ আহম্মদ (ইতিহাস-ঐতিহ্য গবেষক), অধ্যাপক আমজাদ হোসাইন, অধ্যাপক অসীম বিভাকর, মমিনুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন স্বপন, প্রয়াত ডা. খালেদ শামসুল ইসলাম ডলার, মো. হুমায়ুন কবির, কবি অশোক কুমার নাথ, কবি আবু নাসির খান তপন, কবি মোশাররফ হোসেন কায়েস, কবি নিখিল দাস, কবি ছামান আলী, কবি মেজবাহ উদ্দিন, কবি আদিত্য নজরুল, কবি অনন্ত খায়রুল, নাট্যচর্চায় মো. বিল্লাল হোসেন, মতিউর রহমান গাজীপুরী প্রমুখ। তরুণদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক ইজাজ আহ্মেদ মিলন। তিনি ইতোমধ্যে তার সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে সাড়া ফেলেছেন সারাদেশে। দুবার অর্জন করেছেন বজলুর রহমান স্মৃতি পদক। এ ছাড়া কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার লাভ করেছেন গত বছর।

উল্লেখ্য, বাংলাভাষায় প্রথম দ্বিভাষিক অভিধান ও খণ্ডিত ব্যাকরণ এবং বাংলাভাষায় প্রথম গদ্যের বই এ ভাওয়ালে তথা গাজীপুরেই রচিত হয়। সুদূর পর্তুগাল থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী খ্রিষ্টান পল্লিতে এসে রোমান পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁউ (অবস্থান ১৭৩৮-৫৪ খ্রি.) প্রথম বাংলাভাষা ও সাহিত্যের দ্বি-ভাষিক অভিধান ‘বাংলা-পর্তুগিজ শব্দকোষ’ (Vocabulario em Indio ma Bengali-Portuguer) ও খণ্ডিত ব্যাকরণ রচনা করেন। তা ছাড়া তিনি ‘কৃপাশাস্ত্রের অর্থভেদ’ নামেও একটি বই (বাংলাভাষার দ্বিতীয় বই) লেখেন। অপরদিকে নাগরীর সেন্ট নিকোলাস টলেন্টিনো চার্চে বসেই দোম আন্তোনি দো রোজারিও ১৭৩৩ খ্রিষ্টাব্দে ভাওয়াল অঞ্চলের গদ্যরীতিতে ‘ব্রাহ্মণ-রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’ নামে প্রথম বাংলা গদ্য রচনা করেন। সে সময় ভাওয়ালে কোনো ছাপাখানা না থাকায় ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে বই তিনটি পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে ছাপিয়ে পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার

জনাব মো. নুরুল ইসলাম (ভাওয়ালরত্ন)

গাজীপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য (লেখক : ড. ফরিদ আহম্মদ)

বলধা গার্ডেন ও নরেন্দ্রনারায়ণ রায়চৌধুরী (লেখক : ড. মোহাম্মদ আলী খান)

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments