Saturday, April 20, 2024
spot_img
Homeজাতীয়কূটনৈতিক জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল বাংলাদেশে : মিলার

কূটনৈতিক জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল বাংলাদেশে : মিলার

আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশে জীবনে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময় কাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। এ সময় দুদেশের অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

আজ সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাস্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আর্ল রবার্ট মিলারের বিদায় উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এভাবে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করেন। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এতে বক্তব্যে রাখেন অ্যামচেম বাংলাদেশের সহসভাপতি সৈয়দ কামাল, কোকাকোলা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাপস মন্ডল, শেভরনের বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট এরিক ওয়াকার, সিইও মেটলাইফ বাংলাদেশ’র আলাউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, গত তিনবছরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করেছেন। এর ফলে করোনায় বৈশ্বিক অর্থনীতি কঠিন সময় পার করলেও দুই দেশের অর্থনীতি নিয়মিত শক্তিশালী হয়েছে।

আমার হৃদয়ে সব সময় বাংলাদেশ থাকবে উল্লেখ করে আর্ল মিলার বলেন, আমি গর্ববোধ করব, বাংলাদেশের একজন দূত হয়ে কাজ করতে পারলে। একইসঙ্গে এই দেশ থেকে আমি চমৎকার সব স্মৃতি নিয়ে যাচ্ছি।

মিলার বলেন, আমি শুধু বাংলাদেশ থেকেই বিদায় নিচ্ছি না; একই সঙ্গে আমার ৩৫ বছরের ফরেন সার্ভিস থেকেও অবসরে যাচিছ। তিনি বলেন, আজকে যারা আমার জন্য এই সুন্দর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তাদের কাছে আমি ও আমার পরিবার কৃতজ্ঞ থাকবে।

বাংলাদেশের দূত হিসেবে কাজ করার এমন প্রত্যাশাকে অভিনন্দন জানিয়েছে অ্যমচেম সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ বলেন, আমাদের প্রত্যাশা থাকবে মিলার আমাদের অফিশিয়াল দূত না হোক অনন্ত আন-অফিসিয়াল দূত হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

বাংলাদেশে আর্ল মিলারের দায়িত্বকালীন সময়ে অর্থনেতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে বলা হয়, গত ২ বছর করোনার প্রভাবে পরও দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন আছে। এ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সকে ৩টি ৭৮৭ এয়ার ক্রাফট হস্তান্তর, করোনায় উপলক্ষ্যে ২০১ কোটি ৮ লাখ ডলার অনুদান, ২ কোটি ৮ লাখ ডোজ করোনার টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।

এ ছাড়া বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এলএনজি টার্মিনাল করেছে। বাংলাদেশ রেলওয়েকে ৪০টি বড্রগেজ লোকোমেটিভ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার স্পেস বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আর্ল রবার্ট মিলার এবং অ্যামচেমের বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি প্রদর্শন করা হয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments