Sunday, May 19, 2024
spot_img
Homeআন্তর্জাতিকইসরাইলি এক গোলায় নিভে গেল ৫ হাজার ফিলিস্তিনির ‘প্রাণ’

ইসরাইলি এক গোলায় নিভে গেল ৫ হাজার ফিলিস্তিনির ‘প্রাণ’

গাজায় ইসরাইলি হামলায় হাসপাতাল-ক্লিনিকও ধ্বংস হয়ে গেছে। একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিকে ইসরাইলি গোলার আঘাতে অন্তত ৪ হাজার ভ্রূণ এবং ১ হাজার শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নমুনা ধ্বংস হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছরের ডিসেম্বরে ইসরাইলি হামলায় গাজার সবচেয়ে বড় ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ সেন্টার আল-বাসমায় আঘাত হানে ইসরাইলি বাহিনীর একটি গোলা। সেই হামলায় ক্লিনিকটিতে থাকা ভ্রূণ ও শুক্রাণু সংরক্ষণকারী পাঁচটি নাইট্রোজেন ট্যাংকের ঢাকনা ভেঙে যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি হামলার নাইট্রোজেন ট্যাংকের ঢাকনা ভেঙে যাওয়ার কারণে এর ভেতরের তাপমাত্রা আর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ৪ হাজারের বেশি ভ্রূণ এবং ১ হাজারের বেশি শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নমুনা ধ্বংস হয়।

রয়টার্স জানায়, ইসরাইলি ওই হামলার ফলাফল সুদূরপ্রসারি। ওই হামলা মূলত নিহত ফিলিস্তিনিদের অদৃশ্য সংখ্যা, যারা জীবন পাওয়ার আগেই ঝরে গেছে। একই সঙ্গে এই ৫ হাজার সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি অঞ্চলটির হাজারও বন্ধ্যা দম্পতির আশার আলো নিভে গেল।

আল-বাসমা আইভিএফ সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও কেমব্রিজ থেকে নারী ও প্রসূতি বিদ্যার ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া বাহায়েলদি ঘালায়িনি বলেন, আমরা জানি যে, এই ৫০০০ হাজার জীবন, সম্ভাব্য জীবন (বন্ধ্যা দম্পতি) পিতামাতার অতীত ও ভবিষ্যতের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

বাহায়েলদি ঘালায়িনি ১৯৯৭ সালে এই ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেন গাজায়। ঘালায়িনি বলেন, ফিলিস্তিনি বন্ধ্যা-যাদের শুক্রাণু বা ডিম্বাণু সৃষ্টির সক্ষমতা নেই, সেসব দম্পতির অর্ধেকই জীবনে আর কোনো দিন সন্তান জন্মদানের জন্য গর্ভধারণ করতে পারবেন না। আমার হৃদয় ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments